সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বাড়ল রাজ্যের কোভিড (COVID 19) গ্রাফ। বুধবারের তুলনায় কিছুটা বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ। বেড়েছে পজিটিভিটি রেটও। তবে কমেছে মৃত্যু।
রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত মোট ৪৬৭ জন। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে কলকাতা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ৬৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলায় আক্রান্ত ৭৫ জন। তার ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০ লক্ষ ১২ হাজার ৪৭৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা কমেছে কিছুটা। প্রাণ গিয়েছে ১৫ জনের। দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে নদিয়া। সেখানে একদিনে প্রাণ গিয়েছে ৩ জনের। তার ফলে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২১ হাজার ৯৪ জন।
[আরও পড়ুন: দৌড় থেমে গেল সত্তরে, প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত]
দৈনিক সুস্থতার হার যদিও যথেষ্ট ভাল। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসকে হারিয়েছেন ১ হাজার ৩৬৭ জন। যা দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এখনও পর্যন্ত মোট ১৯ লক্ষ ৮২ হাজার ৬০৫ জন করোনাজয়ী। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.৫২ শতাংশ। নমুনা পরীক্ষা এবং টিকাকরণের উপরেই জোর দেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৬৭৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৯৫৮টি। পজিটিভিটি রেট ১.২৭ শতাংশ। একদিনে ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ২৮৮ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তার মধ্যে ২৮ হাজার ৫০৬ জন প্রথম ডোজ এবং বাকি ৩ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৩৮ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন।
অতিরিক্ত কোভিডবিধি প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। তার পরেরদিনই ফের ঊর্ধ্বমুখী দেশ তথা রাজ্যের কোভিড গ্রাফ। এই পরিস্থিতিতে বেসামাল আচরণ বিপদ ডেকে আনতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই কোভিডবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ অভিজ্ঞদের।
[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর সফরের ডিউটি সেরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পুলিশের গাড়ি, জখম ১০]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাঠানদের বলো চৌহান আসছে’, অজয় দেবগনের গর্জনে খেপে লাল ক্ষত্রিয় পরিষদ! বিতর্ক চরমে
-
সব হারিয়ে ভাঙল ঘুম! অত্যাচারে ঘরছাড়াদের আইনি সহায়তা দিতে শুরু ‘এক ডাকে অভিষেক’
-
বারবার নোটিসেও হয়নি কাজ! শালিমার স্টেশনের বাইরের বসতিতে বুলডোজার, এলাকায় বিক্ষোভ
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?