Jagaddhatri Puja 2025

২৫৩তম বর্ষে চাষাপাড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো! জেনে নিন কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত ‘বুড়িমা’র পুজোর নির্ঘণ্ট

বুড়িমাকে সাজানো হবে ২৯ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ১৮:৪০

options
link
২৫৩তম বর্ষে চাষাপাড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো! জেনে নিন কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত ‘বুড়িমা’র পুজোর নির্ঘণ্ট

সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: বাংলায় জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয় কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরে! তার আগে বঙ্গে দেবীর পুজো হত কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। তবে রাজবাড়িতে পুজো শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে এই শহর-সহ বঙ্গে। চাষাপাড়ার বুড়িমার পুজো শুরু হয় ১৭৭২ সালে। এবার পুজোর ২৫৩তম বর্ষ। ভক্তদের বিশ্বাস, মায়ের কাছে কিছু চাইলে তিনি ফেরান না। পুজো দিতে হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমান। জেনে নিন পুজোর নির্ঘণ্ট, অঞ্জলির সময়।

Advertisement

কৃষ্ণনগর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে বুড়িমার একাধিক গল্প। চাষাপাড়া সর্বজনীনের এই পুজো শুরুর ইতিহাস নিয়ে রয়েছে দ্বিমত। কেউ বলেন, রাজা স্বপ্নাদেশ পেয়ে চাষাপাড়ার তৎকালীন লেঠেলদের এই পুজোর দায়িত্ব দেন। আবার অনেকের মতে, মায়ের পুজো রাজবাড়ির বাইরে ছড়িয়ে দিতে রাজা এই পুজো শুরু করেন। তবে পুজোর শুরু নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ভক্তদের কাছে বুড়িমার মাহাত্ম্য নিয়ে কোনও সংশয় নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কৃষ্ণচন্দ্রের শহরে মূল পুজো হয় নবমীর দিনে। বুড়িমাকে সাজানো হবে ২৯ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যায়। দেবী সাজবেন ১০ কেজি সোনায়। ভোররাতে প্রায় ৪টা নাগাদ মঙ্গলঘটে জল ভরে শুরু হবে পুজো। বুধবার বেলা ১২ থেকে নেওয়া ববে মানসিক দ্রব্যাদি।

Advertisement

৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে শুরু হবে সপ্তমী পুজো। ৯টা ৩০ মিনিটে হবে পুষ্পাঞ্জলি। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে অষ্টমী পুজো। বেলা ১২টায় হবে অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি। দুপুর ১টা নাগাদ হবে নবমী পুজো। ২টো ৩০ মিনিটে নবমীর পুষ্পাঞ্জলি। বেলা ৩টেয় বলিদান। ৪টা নাগাদ পুজোর আরতি ও হোম। সন্ধ্যা আরতির সময় সন্ধ্যা ৬টায়। পরের দিন অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে দশমীর পুজো। বিকেল ৪টেয় দেবীকে আসন থেকে নামানো হবে। পুজোর দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত নির্দিষ্ট স্থান থেকেই ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হবে বলেই জানানো হয়েছে পুজো কমিটির তরফে।

কৃষ্ণনগরে সবার শেষে বুড়িমার বিসর্জন হয়। মাকে রাজবাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার পর কাঁধে করে জলঙ্গিতে বিসর্জন দেওয়া হয়। সেই বিসর্জন দেখতে রাস্তার ধারে ভিড় জমান ভক্তরা। এবারও কয়েক লক্ষ ভক্তের সমাগম হবে বলে মনে করছে পুজো কমিটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.