বর্ষা বিদায়ের পর শরতের আবহ তৈরি হয়েছে বাংলায়। পুজোর (Durga Puja 2026 ) গন্ধ একটু একটু করে ঢুকতে শুরু করেছে শহরের আকাশে। আর এরমধ্যে শহরের এক বিশেষ পুজোর জন্য খাস রাইসিনা হিলস থেকে এল চিঠি। বার্তা এসেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও। কলকাতার এই পুজোর থিমে এবার কাঁথির ছেলে ‘বুবাই’। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নন্দীগ্রাম থেকে নবান্নে পৌঁছনোর গল্পই ফুটিয়ে তোলা হবে মণ্ডপে। উদ্যোগে হিন্দু মহাসভা। সেই পুজোর জন্যই এবার শুভেচ্ছাবার্তা এল খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে। আর তাতেই উচ্ছ্বসিত পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা তথা হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামী।
আরও পড়ুন:
প্রতি বছর কলকাতার পুজোগুলিতে নানা চমক থাকে। আয়োজন ছোট হলেও কোনও কোনও উদ্যোক্তা মণ্ডপসজ্জা বা থিমে এমন অভিনবত্বের ছোঁয়া দিয়ে থাকেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে। শুধু তাই নয়, অনেক সময় বিগ বাজেটের পুজোকেও পিছনে ফেলে দেয় এই সব পুজো। এবারও এমনই এক অনামী পুজো দিতে চলছে সবথেকে বড় চমক। তাদের থিম এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী! নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন – শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যের কাহিনি থাকবে এই পুজোর প্রতিটি কোণে কোণে।
‘নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা’ – এই থিমে সেজে উঠবে রুবি মোড়ের এই দুর্গাপুজো। পুজো প্রস্তুতির মধ্যেই রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে হিন্দু মহাসভার উদ্যোক্তারা দিল্লিতে উড়ে যান। সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘গেস্ট অব অনার’ হওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র এবং চিঠি তুলে দিয়ে আসেন। এরপরেই প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে ফোন করে এবং রাষ্ট্রপতি দপ্তর থেকে চিঠি লিখে হিন্দু মহাসভার বহুচর্চিত এই পুজোর আয়োজনের জন্য শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু কেন এই থিম? চন্দ্রচূড় বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পুণ্যভূমি এই পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেই প্রথমবার জনগণের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে সনাতনী জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।” ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সাক্ষী রাখতেই একেবারে অভিনব এই থিম নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানান হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, ”সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মণ্ডপের ভিতরে ছবি এবং ব্যানারের মাধ্যমে আমাদের গর্বের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রাম এবং সাফল্য তুলে ধরব।” পাশাপাশি তৈরি করা হবে একটি তথ্যচিত্রও। যেখানে কাঁথির ঘরের ছেলে ‘বুবাই’য়ের নন্দীগ্রামের আন্দোলন থেকে নবান্ন-বিজয় সবটাই শর্ট ফিল্মের আকারে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রচূড় গোস্বামী। এখানেই শেষ নয়, এই পুজোয় উপস্থিত হয়ে সাধারণ মানুষও মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা পাঠানোর সুযোগ পাবেন! কীভাবে?
হিন্দু মহাসভার এই নেতার দাবি, ”জনগণের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাই সাধারণ মানুষও তাঁকে বার্তা পাঠানোর সুযোগ পাবেন।” এজন্য সরাসরি হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রচূড়। তাঁরাই স্লোগান বা তথ্যচিত্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একেবারে অভিনব থিমে তৈরি হওয়া এই পুজোমণ্ডপ দেখার জন্য রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর বাবা এবং মাকেও এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন চন্দ্রচূড় গোস্বামী।
সর্বশেষ খবর
-
ক্রিমের পরেও শুষ্ক ত্বক? পুজোর আগেই কাজে লাগান কাপুরকন্যার ঘরোয়া টোটকা
-
এখনই জেলায় মিড ডে মিলের দায়িত্বে নয় ইসকন! আগের ব্যবস্থাতেই খাবার পাবে পড়ুয়ারা
-
টিম ইন্ডিয়ায় ফের চোটের ধাক্কা! আফগান সিরিজ থেকে বাদ তারকা ক্রিকেটার, সংশয়ে এশিয়াডও
-
বসিরহাটের মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা! কাঠগড়ায় শিক্ষক
-
আর নয় অতিরিক্ত সময়, টুলু মণ্ডলকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ সিলমোহরের প্রক্রিয়া শুরু!