একজন দেশান্তরি। অন্যজন গ্রেপ্তার হয়েছেন নিজের বাড়ি থেকে। তাঁদের দু’জনের এহেন পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে জেন জি দ্রোহ রুখতে নিপীড়নের অভিযোগ। এই দুই রাষ্ট্রনেতার একজন শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রশ্ন উঠছে, অপরজন, শনিবার ভোরে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ওলির ভাগ্যে কী আছে? তাঁকেও কি মৃত্যুদণ্ড দেবে নেপাল? ঘটনাক্রম আশ্চর্য ভাবে মিলিয়ে দিয়েছে দুই প্রাক্তন রাষ্ট্রনেতার জীবনকে।
শনিবার ভোরবেলা নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে নেপালের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও। যার নেপথ্যে রয়েছে জেন জি আন্দোলন! গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনের জেরে ওলি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পালিয়ে যান। উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিশন গঠিত হয়েছিল নেপালের হিংসা নিয়ে তদন্ত করতে। আর সেই কমিশনেরই রায়, ৭৪ বছরের ওলি গুলিচালনা বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। যার ফলশ্রুতি, অন্তত ১৯টি তাজা প্রাণের মৃত্যু।
দুই রাষ্ট্রনেতার একজন শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রশ্ন উঠছে, অপরজন, শনিবার ভোরে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ওলির ভাগ্যে কী আছে?
এদিকে গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। একইরকম সাজা পেয়েছেন তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। মামলায় হাসিনার বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল– ১) উসকানিমূলক বক্তব্য প্রকাশ, ২) জুলাই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, ৩) রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, ৪) রাজধানী ঢাকার চানখঁারপুল এলাকায় ছ’জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং ৫) আশুলিয়ায় ছ’জনকে পুড়িয়ে মারা। এর মধ্যে উসকানিমূলক বক্তব্যজনিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য হাসিনাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হলেও বাকি অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদিও আওয়ামি লিগ জানিয়েছে জামাত প্রভাবিত ‘ক্যাঙারু আদালতে’ বিচারের নামে প্রহসন চলেছে। যেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, তা কখনই ন্যায়বিচার হতে পারে না।
গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। একইরকম সাজা পেয়েছেন তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও।
এহেন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, ওলির ভাগ্যেও কি এমন রায় রয়েছে? মৃত্যুদণ্ড পেতে পারেন তিনি ও রমেশ লেখক? তেমন সম্ভাবনা নেই। কেননা ওলি ও রমেশের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগই হল, জেন জি-র দ্রোহ রুখতে পুলিশের আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। এই অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে দশ বছরের। ফলে অনেক দিন জেলে কাটাতেও হলেও মৃত্যুদণ্ডের মুখে পড়তে হবে না ওলিদের।
সর্বশেষ খবর
-
মানসিক ফাঁদে পা নয়, বাজারের সঙ্গে সঙ্গে ‘আচরণ’ বদলাতে হবে লগ্নিকারীদেরও
-
এবার কলকাতাতেও ইথানল মিশ্রিত পেট্রল, কোন কোন জায়গায় মিলবে এই পরিষেবা
-
সবার দল ভাঙাচ্ছেন বিজয়, রাজ্যপালের কাছে একযোগে নালিশ ডিএমকে-বিজেপি-এআইএডিএমকের
-
সংগঠনে একঝাঁক নতুন মুখ! চলতি মাসেই রদবদলের সম্ভাবনা রাজ্য বিজেপিতে
-
গুলশন কলোনিতে অস্ত্র হাতে দাপাদাপি! অবশেষে সাগরেদ-সহ পুলিশের জালে কুখ্যাত ‘মিনি ফিরোজ’