Tollywood

টলিপাড়ায় ‘দাদাগিরি’ রুখতে নয়া স্ট্র্যাটেজি, হাল ধরবেন রুদ্র ও রূপা-সহ ৪ বিধায়ক

বিগত কয়েক বছর ধরে প্রায়ই নানা ইস্যুতে টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অশান্তির খবর শিরোনামে এসেছে। ফেডারেশন হোক বা ইম্পা - কখনও শুটিংয়ের নিয়মকানুন নিয়ে ঝামেলা হয়েছে, আবার কখনও ছবির রিলিজকে কেন্দ্র করেও মতানৈক্য দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের মতপার্থক্য কার্যত প্রকাশ্যে চলে এসেছে কোন্দলের আকারে।

শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ২১:১৫

options
link
টলিপাড়ায় ‘দাদাগিরি’ রুখতে নয়া স্ট্র্যাটেজি, হাল ধরবেন রুদ্র ও রূপা-সহ ৪ বিধায়ক
রাজ্যে পালাবদলের পর টলিপাড়ায় নতুন কমিটি

বিগত কয়েক বছর ধরে প্রায়ই নানা ইস্যুতে টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অশান্তির খবর শিরোনামে এসেছে। ফেডারেশন হোক বা ইম্পা – কখনও শুটিংয়ের নিয়মকানুন নিয়ে ঝামেলা হয়েছে, আবার কখনও ছবির রিলিজকে কেন্দ্র করেও মতানৈক্য দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের মতপার্থক্য কার্যত প্রকাশ্যে চলে এসেছে কোন্দলের আকারে। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ইন্ডাস্ট্রিতে ঝামেলা বন্ধ করতে তথা সমস্যা মেটাতে দায়িত্ব পেলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী ও হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর সাফ নির্দেশ, “কোনওভাবেই টলিউডে পাইয়ে দেওয়া, দাদাগিরি, আমার কাছের লোক – এই অরাজকতার পরিবেশ যেন না থাকে। শুধু শিল্প-সংস্কৃতির জগৎ নয়, সর্বক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। নতুন সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দায়বদ্ধ, দলমত নির্বিশেষে এগুলো একদম ডিলিট করার জন্য।” 

ফোনে রুদ্রনীল ঘোষকে যোগাযোগ করলে তিনি বললেন, ‘যাঁরা রোজ ঝামেলা করতেন এতগুলো বছর ধরে, সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ঝামেলা পাকিয়ে পাকিয়ে বাংলা এন্টারটেনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির সর্বনাশ করে দিয়েছে। নিজেদের ক্ষমতা, অর্থ এসবের জন্য। এখনও তঁাদের সম্বিত কাটছে না। তাঁরা পুরনো অভ্যাসে মাঝে মাঝে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলছেন, সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার কয়েকদিনের অরাজকতার পরিবেশ যাতে না তৈরি করতে পারেন, ভুল বোঝাতে না পারেন তাই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

Advertisement

এরকম অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে সাম্প্রতিককালে। রুদ্রনীলের আরও সংযোজন, “কিছু গিল্ড থেকে কঠিন নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাইরে থেকে একটি দক্ষিণী ছবির জন্য কিছু লোকজন শুটিং করতে এসেছিলেন, সেটা নিয়ে সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। টাকাপয়সা চাইছে এই যে বিষয়গুলো ঘটছে, সেই অরাজকতার খবর মুখমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে রয়েছে। আজ তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি আমাদের সংস্কৃতি জগৎ থেকে যাঁরা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, যাঁরা এই জগতে কাজ করছেন বা করেছেন, তাঁদের যাঁরা সচিব পর্যায়ে রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বসে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। যাতে আর কেউ না এগুলো করতে পারেন, সেই বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনওভাবেই এই পাইয়ে দেওয়া, দাদাগিরি, আমার কাছের লোক – এই অরাজকতার পরিবেশ যেন না থাকে। শুধু শিল্প-সংস্কৃতি জগৎ নয়, সর্বক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। নতুন সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দায়বদ্ধ, দলমত নির্বিশেষে এগুলো একদম ডিলিট করার জন্য।” আপাতত ঠিক হয়েছে সমস্যা মেটানোর দায়িত্বে জন্য থাকছেন এই চারজন জয়ী বিধায়ক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.