মুজতবা হোসেন

‘দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে’, CAA বিরোধিতায় পদ্মশ্রী ফেরাচ্ছেন খ্যাতনামা সাহিত্যিক

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯, ১০:২৪

options
link
‘দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে’, CAA বিরোধিতায় পদ্মশ্রী ফেরাচ্ছেন খ্যাতনামা সাহিত্যিক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বিরোধিতায় জ্বলছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত। চতুর্দিকে আতঙ্কের আবহ। এই পরিস্থিতিতে পদ্মশ্রী সম্মান ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিলেন উর্দু সাহিত্যিক মুজতবা হোসেন (Mujtaba Hussain)। এরপর তিনি বলেন, “আমার দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমার বিবেক কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। এর চেয়ে বেশি আর ধৈর্য রাখতে পারছি না।”

Advertisement

স্বাধীনতার আগে ১৫ জুলাই, ১৯৩৬ সালে হায়দরাবাদ থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার দূরের চিনচোলিতে জন্মেছিলেন মুজতবা হোসেন। ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন তিনি। বরাবরই সাহিত্যচর্চার দিকে ঝোঁক ছিল তাঁর। একটি উর্দু পত্রিকায় লেখালেখির কাজ শুরু করেন মুজতবা হোসেন। হাস্যরসে ভরা তাঁর লেখা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন বহু পাঠক। বিভিন্ন রাজ্যের সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাঁর সাফল্যের ঝুলিতে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ উর্দু অ্যাকাডেমির পুরস্কার। ২০০৭ সালে পদ্মশ্রী পান উর্দু সাহিত্যিক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন পুণের FTII-এ, বিক্ষোভে শামিল চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য]

এহেন সাহিত্যিক দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বহুবার। কয়েক সপ্তাহ আগে দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই বিরোধিতার রেশ কাটতে না কাটতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) নিয়ে সুর চড়ালেন সাহিত্যিক। ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্বর বিরুদ্ধে মুজতবা হোসেন মুখ খোলেন। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা CAA’র বিরোধিতা করে তিনি পদ্মশ্রী সম্মান ফেরানোর কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিবেক কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। এর চেয়ে বেশি আর ধৈর্য রাখতে পারছি না। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্মশ্রী ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” উর্দু সাহিত্যিক পদ্মশ্রী ফেরানোর সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন।   

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.