সামান্য এক টয়লেটের জন্য বেশ সমস্যায় পড়েছেন অক্ষয়!

সকাল সকাল টয়লেট থেকে কী বার্তা দিলেন নায়ক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ২০:১০

options
link
সামান্য এক টয়লেটের জন্য বেশ সমস্যায় পড়েছেন অক্ষয়!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টয়লেট বড় সাঙ্ঘাতিক জায়গা! না থাকলে সমস্যা তো আছেই, এমনকী মাত্র একটা থাকলেও সমস্যার শেষ নেই! তা, অক্ষয় কুমারের টয়লেট-সংক্রান্ত সমস্যাকে ফেলা যায় কোন খাতে?
প্রথম ভাগে! টয়লেট না থাকার জন্যই এবার অক্ষয় কুমারের দাম্পত্য পড়েছে সমস্যার মুখে! তবে এ তো আর বিশ্বাসযোগ্য নয় যে নায়কের বাড়িতে একটাও টয়লেট নেই! তাই এটুকু অতএব স্পষ্ট- এই টয়লেট-সংক্রান্ত সমস্যা পুরোটাই চিত্রনাট্যনির্ভর। পরিচালক শ্রী নারায়ণ সিংয়ের ছবির চিত্রনাট্য।
ছবির চিত্রনাট্যেই শুধু নয়, নামেও জুড়ে রয়েছে টয়লেট। ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বচ্ছ ভারত অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে এই ছবির কাহিনি। কী রকম?
খবর বলছে, স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু হওয়ার পরে, বিদ্যা বালানকে নিয়ে তৈরি বিজ্ঞাপনের জেরে অনেক ভারতবাসীই সচেতন হয়েছেন বাড়িতে টয়লেট তৈরির ব্যাপারে। এরকমও খবর এসেছে, শ্বশুরবাড়িতে টয়লেট না থাকার জন্য স্বামীর ঘর করতে চাইছেন না নববধূরা। এই ঘটনা থেকেই পরিচালকের মাথায় আসে ছবির কাহিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement


তাই বাড়িতে একটা টয়লেট না থাকার জন্য ছবির চিত্রনাট্যে সমস্যার মুখে পড়বে নায়কের বিয়ে। জানা যাচ্ছে, ছবির দুই প্রধান চরিত্র অর্থাৎ নায়ক-নায়িকার সম্পর্কের ভিত খুবই মজবুত। সমস্যা তৈরি করছে শুধু টয়লেট। সেই টয়লেটের জন্যই স্বামীর ঘর করতে নারাজ নববিবাহিতা বধূ। সেই সব বাধা কাটিয়ে, টয়লেট তৈরি করে কী ভাবে মসৃণ পথে চলবে, তাই রুপোলি পর্দায় বলবে ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’।
মথুরায় সম্প্রতি ছবির শুটিংও করে এসেছেন অক্ষয় কুমার। সঙ্গে ছিলেন নায়িকা ভূমি পেড়নেকর। শুটিংয়ের মাঝে টয়লেটের দুপাশে নিজেদের রেখে একটা ছবি তুলে, সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেও ভোলেননি অক্ষয়। সঙ্গে লিখেছেন, “টয়লেট: এক প্রেম কথার সেট থেকে ভূমি আর আমি সুপ্রভাত জানাই সকলকে। আজই ছবির শুটিংয়ের প্রথম দিন… তাই সবার শুভেচ্ছা চাইছি!”
স্বচ্ছতার অভিযান চলছে যে ভারতে, সেই দেশ যে এই ছবি দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে, তা আর না বললেও চলে। সেই জন্যই ছবির কাজ যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করতে চাইছেন পরিচালক। ছবির কাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন দুই প্রযোজক নীরজ পাণ্ডে আর বিক্রম মালহোত্রাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.