কথা ছিল, কন্যা ঐশী দত্ত বিদেশ থেকে ফিরলেই বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ অনীক দত্তর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সেইমতো মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও রুদ্রনীল ঘোষকে নির্দেশ দিয়েছিলেন,পরিচালকের শেষকৃত্যে যেন সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। তবে রাত পোহাতেই পারিবারিক সূত্রে জানা গেল, আজ পরিচালকের শেষকৃত্য হচ্ছে না। আপাতত বিদেশ থেকে মেয়ে ঐশীর ফেরার অপেক্ষায় তাঁর অনীকপত্নী সন্ধি দত্ত এবং পরিজনেরা।
আরও পড়ুন:
শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের স্থান এবং শেষকৃত্যের প্রক্রিয়ায় কিছু বদল ঘটেছে। খবর, কন্যা ঐশী এদিন বেলা তিনটের পর কলকাতায় ফিরবেন। ফলত, পরিবারের আরেকটু সময়ের প্রয়োজন। সেজন্যই বৃহস্পতিবারের বদলে শুক্রবার শেষকৃত্যের কথা ভাবা হয়েছে।
বুধবার জানা গিয়েছিল, প্রথমে পরিচালকের মরদেহ নন্দনে ২ ঘণ্টার জন্য রাখা হবে। এরপর সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হবে কেওড়াতলা শ্মশানে। এমনকী অনীক দত্তের শেষকৃত্যে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানা যায়। তবে বৃহস্পতিবার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানানো হয়, শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের স্থান এবং শেষকৃত্যের প্রক্রিয়ায় কিছু বদল ঘটেছে। খবর, কন্যা ঐশী এদিন বেলা তিনটের পর কলকাতায় ফিরবেন। ফলত, পরিবারের আরেকটু সময়ের প্রয়োজন। সেজন্যই বৃহস্পতিবারের বদলে শুক্রবার শেষকৃত্যের কথা ভাবা হয়েছে। শুধু তাই নয়, অনুরাগীরা কোথায় অনীক দত্তকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে পারবেন? সেটা নিয়েও আপাতত পরিকল্পনা চলছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দনের পরিবর্তে কিংবদন্তি সত্যজিৎ রায়ের বাড়ির সামনে রাখা হতে পারে অনীক দত্তর মরদেহ। ‘অপরাজিত’ পরিচালক যে শয়নে-স্বপনে সত্যজিৎ যাপন করতেন, সেকথা কারও অজানা নয়। যদিও বিশপ লেফ্রয় রোডের বাসভবনের সামনে যেটুকু জায়গা রয়েছে, সেটি বেশ সংকীর্ণ, ফলত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কিনা, তা নিয়েও একটা ধন্দ রয়েছে। তাই এবিষয়ে পরিবারের তরফে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেল।

অন্যদিকে, বুধবার প্রয়াত পরিচালকের পরিবারের তরফে সোশাল মিডিয়ায় একটি বার্তা ভাগ করে নিয়েছেন বিরসা দাশগুপ্ত। সেই পোস্টে উল্লেখ, ‘অনীক দত্তের পরিবারের তরফে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি, সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা আর প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, প্রয়াত পরিচালকের পরিবারকে এই মুহূর্তে একটু শান্তি দিন। এসময়ে ওদের একান্তে থাকতে দেওয়া উচিত। দয়া করে কোনও গুজব ছড়াবেন না। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এটা একটা কালো দিন। পরিবারের কাছে দিনটা আরও দুঃখজনক। অনীকদা বাংলা সিনেমার শুধু স্বতন্ত্র কন্ঠই ছিলেন না, উনি ছিলেন প্রত্যেক আড্ডার প্রাণ। মজা করতে ভালবাসতেন, আর সকলের ভীষণ ভালবাসার মানুষ ছিলেন। প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ… দয়া করে কোনোরকম গুজব ছড়াবেন না। গুজবে কান দেবেন না। দয়া করে, শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে থাকুন, প্রার্থনা করুন।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘স্ট্যান্ডিং কমিটির শীর্ষে কেন বিদ্রোহী সাংসদ?’ কাকলিতে আপত্তি জানিয়ে স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের
-
কেন কালীঘাট এলাকার একাধিক ব্যক্তির নামে সিম তুলেছিলেন সুমিত? নেপথ্যে বড় লেনদেন! তদন্তে পুলিশ
-
মেসি-ম্যাচে বঞ্চিত দর্শকদের শুভেন্দুর উপহার, উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট মিলবে বিনামূল্যে
-
ভারতের লড়াইকে ‘বাহবা’ দিলেন ব্রাজিল কোচ, হেরে খালিদ দুষলেন মনঃসংযোগের অভাবকে
-
‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী