নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের (Uttam Kumar Film Centre) শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সকালে ভূমিপুজোয় অংশ নেন মিঠুন চক্রবর্তী এবং রঞ্জিত মল্লিকও। এই ফিল্ম সেন্টারটি তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের তরফে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট তিনটি অংশ হবে ফিল্ম সেন্টারের। প্রথমে থাকবে ৭৫০ আসনে দু’টি সিনেমাহল, প্রিভিউ থিয়েটার, ফুড কোর্ট ও কার পার্কিং। দ্বিতীয় অংশে থাকবে ১০০০ আসনের অডিটোরিয়াম এবং ওপেন এয়ার থিয়েটার। তৃতীয় অংশে অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্ট, গেমিং, কমিকস, এক্সটার্নাল রিয়ালিটি, সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের ল্যাবরেটরি ও স্টুডিও থাকবে। ইতিমধ্যে মাটি পরীক্ষার কাজ হয়ে গিয়েছে। ডিপিআর চলছে। বর্ষার শেষেই কাজ শুরু হবে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দিনে এই কাজ দেখে সকলে মুগ্ধ হবেন বলেই আশা তাঁর।
আরও পড়ুন:
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বলেন, “আমরা মন, হৃদয় থেকে ভালোবাসি। এই ভালোবাসায় ভাগাভাগি, দল নেই। মহানায়ককে সকলে ভালোবাসি। গর্ব করি। নরেন্দ্র মোদির অনুপ্রেরণায় সবস্তরের সাংস্কৃতিকমনস্ক ব্যক্তিদের সহযোগিতায় সকলে মিলে অনুষ্ঠান শুরু করেছি। সন্ধ্যায় যে মনোরম অনুষ্ঠান হয়েছে তা ট্রেন্ডিংয়ে এক নম্বরে যাচ্ছিল। সুন্দর শোভাযাত্রা, কেক কাটা, পায়েস খাওয়া – বাঙালির সান্ধ্যকালীন আড্ডার পরিবেশ দিয়ে যা শুরু করেছি তা সুন্দর ছিল। মহানায়ক জন্মেছেন ৩ তারিখ। সেদিন তিথি অনুযায়ী জন্মাষ্টমী। এটাও একটা আমাদের কাছে বড় প্রাপ্তি।”
তিনি বলেন, “রঞ্জিত মল্লিক কালকের অনুষ্ঠানে ছিলেন। আজও এসেছেন। তাঁর সহযোগিতার জন্য প্রণাম জানাই। মহাগুরু তো আছেন। মিঠুন চক্রবর্তীকে ‘কালচারাল অ্যাডভাইজার’ করতে চলেছি। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পুরো কর্মসূচির পুরোহিত। উনি আমার কাছে গিয়েছিলেন। অনেক সংবাদমাধ্যম লিখলেন প্রসেনজিৎ রাজনীতিতে আসছেন। বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী আপনি সবে দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনার কাছে কিছু চাইতে আসেনি। ওঁকে স্বীকৃতি দিয়েছেন মানুষ। আর নতুন করে কিছু পাওয়ার নেই। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন যিশু সেনগুপ্ত। অভিনেতা নন। উনি আয়োজকের ভূমিকা নিয়েছেন। ঋতুপর্ণা, হরদা আছেন। সকলকে ধন্যবাদ।” তাঁর কথায়, “শুধুমাত্র ক্ষণিকের অনুষ্ঠান নয়। এমন কিছু সৃষ্টি করে যেতে হবে যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে।”
মুখ্যমন্ত্রীর আগে বক্তব্য রাখেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “এতদিনে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে চিনেই গিয়েছেন। উনি যা বলেন, তা করে দেখান। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি উনি যা বলেন তা হবেই।” এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রসেনজিৎ। তাঁর কথায়, “যে জায়গায় ভিতে দাঁড়িয়ে কাজ করছি, সেই ভিত পুঁতে দিয়ে গিয়েছেন মহানায়ক উত্তমকুমার। আমার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ৫ মিনিট কথা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে মহানায়কের জন্মশতবার্ষিকী পালন করছেন তাতে ধন্যবাদ। গত ২দিন ধরে এত বৃষ্টি হচ্ছিল মনখারাপ হচ্ছিল মিছিল হবে কিনা। বলেছিলাম হবেই। মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় মহানায়ককে নিয়ে কিছু না কিছু সারাবছর ধরে পালন করব।” বলে রাখা ভালো, শুক্রবার বিকেলেও নন্দনে উত্তম স্মরণে অনুষ্ঠান রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অতীত থেকে শিক্ষা, হিমাচলে বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণে আধিকারিকরাও!
-
টানা ১৪ ঘণ্টা দৌড়, ১০০ কিলোমিটার রানআপে বল, বিশ্বরেকর্ড ইংরেজ পেসারের
-
উষ্ণতম আগস্ট! ভরা বর্ষাতেও চুরমার ১২৫ বছরের রেকর্ড, উষ্ণায়নই ‘ভিলেন’?
-
১০ বছর বয়স ভাঁড়ানো ক্রিকেটারের গায়েও উঠেছে জার্সি, কোথায় ছিল বঙ্গক্রিকেটে ‘ভেরিফিকেশন সেল’?
-
মাঝআকাশে বিকল যন্ত্র, নিয়ন্ত্রণ হারানো ককপিটে ‘নেশাগ্রস্ত’ পাইলট! এয়ার ইন্ডিয়া তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য