দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ, পাঞ্জাবের ‘একমেবাদ্বিতীয়ম’ মেগাস্টার তা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে গায়ক জানিয়েছেন, তিনি রাজনীতি থেকে কয়েকশো মাইল দূরে। একাধারে গায়ক হিসেবে তিনি যেমন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করেন, তেমনই সিনেমার পর্দায় নিজস্ব ক্যারিশ্মায় কাশ্মীর টু কন্যাকুমারীর মনে ঝড় তোলেন। গায়কের ভক্তকুল তাঁর বিষয়ে খুটিনাটি জানতে সদা আগ্রহী। সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার গোপন তথ্য নিজেই ফাঁস করলেন দিলজিৎ। যা শুনলে নিঃসন্দেহে উদ্বেগ প্রকাশ করবেন অনুরাগীরা।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ এগারো বছর শরীরে রোগ পুষে রেখেছেন পাঞ্জাবি গায়ক। তবুও কেন ‘বেফিকরে’ পাঞ্জাবি গায়ক? নেপথ্যে কী কারণ? আন্তর্জাতিক এক ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগতজীবনের সেই সিক্রেট নিজেই ফাঁস করলেন। কথোপকথনের সময় জীবন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য থেকে শুরু ভ্রমণের সময় ব্যাগে কোন জিনিসগুলি রাখা জরুরি সেই বিষয়েও কথা বলেন দিলজিৎ (Diljit Dosanjh)। সাক্ষাৎকারে মাঝে ভক্তদের জন্য বেশ কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন। তবে দিলজিৎ যে শরীরে রোগ বাসা বেঁধেছে জেনেও নিরুত্তাপ সেটা জেনে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন উলটো দিকের মানুষটা।
পনেরো সালে মারাত্মক পেটের যন্ত্রণা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান দিলজিৎ। তখনই পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে। সেসময় চিকিৎসক তাঁকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। কিন্তু, গায়ক তাঁর বন্ধুর কোন পরামর্শ মেনে চিকিৎসা করাননি?
প্রথমবার প্রকাশ্যে নিজেই সেই গোপন তথ্য ফাঁস করে ফেললেন গায়ক। তিনি জানান, ২০১৫ থেকে পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পৃথিবীর বিভিন্নপ্রান্তে ঘুরে শো করছেন। আর সেই পাথর তথা গলব্লাডার স্টোনের আকার প্রায় এগারো থেকে বারো মিলিমিটার বা ১.২ সেন্টেমিটার। ‘লেমোনেড’ গানের এই শিল্পী আজও কেন রোগ বহন করছেন তা জানতে চাইলে কী যুক্তি দেন?

দিলজিৎ জানান, পনেরো সালে মারাত্মক পেটের যন্ত্রণা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। তখনই পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে। সেসময় চিকিৎসক তাঁকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। কিন্তু, গায়ক তাঁর বন্ধুর পরামর্শ মেনে চিকিৎসা করাননি। গলব্লাডার স্টোন যদি শরীরে কোনও সমস্যা না করে তাহলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই। সংশ্লিষ্ট বন্ধুর থেকে এমন পরামর্শই পেয়েছিলেন।
সেদিনের কথা স্মরণ করে দিলজিৎ বলেন, “আজ আমি জীবনের অত্যন্ত গোপন একটা কথা শেয়ার করছি। আমার গলব্লাডারে ১১ থেকে ১২ মিলিমিটারের একটি পাথর রয়েছে। ২০১৫ সালে পেটব্যথার কারণে আমি চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি অস্ত্রোপাচর করতে বলেছিলেন। কিন্তু, এক বন্ধু পরামর্শ দিল যদি কোনও সমস্যা না হয় তাহলে কেন কাটাছেঁড়া করবে?”

মাঝে এতগুলো বছর কেটে গিয়েছে। শারীরিক কোনও সমস্যার মুখোমুখি হননি। সেই যুক্তি খাঁড়া করে দিলজিতের দাবি, “আমার মনে হয় ওটা এখন আর নেই। তবে আমি সবসময় ওষুধ সঙ্গে রাখি। তবে কখনও প্রয়োজন পড়েনি। পরিবারের কাউকে এতদিন বিষয়টা বলিনি। আজ এখানে প্রথমবার শেয়ার করলাম।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল
-
বিজ্ঞান জগতেও সমাদৃত শ্যামাপ্রসাদ! নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার নামকরণে ‘ভারত কেশরী’
-
ব্রিজে ওঠার মুখে গাড়ির উপর ভেঙে পড়ল লোহার বার, বন্ধ বাগুইআটি ফ্লাইওভার
-
মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার! রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে পেনশনভোগীদের জন্য বিরাট সুখবর
-
‘আকাশ’ থেকে ‘মনোজ’, আত্মসমর্পণের পথে না হেঁটে নতুন নামে আড়াল খুঁজছেন মাওবাদী নেতা