রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই চর্চায় ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইম্পা)। ছাব্বিশের নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে টলিউডেও। গত মে মাসে সংগঠনের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে ইম্পার দপ্তর রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগের দাবিতে বারবার সরব হয়েছেন রতন সাহা, শতদীপ সাহাদের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। ইম্পার অন্দরের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে শুক্রবার এক জরুরি বৈঠক হয়।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ টালবাহানার পর ইম্পার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন পিয়া সেনগুপ্ত। এরপরই শান্তি ফিরিয়ে, ইম্পার দৈনন্দিন কাজ কর্ম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কার্যকরী কমিটি তৈরি করা হল এদিন। সিনে সংগঠনের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি রতন সাহার উপস্থিতিতে শুক্রবার ১২ সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হল। অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির কনভেনার অঞ্জন বসু। কো-কনভেনার হিসেবে থাকছেন মিনা শেঠি মন্ডল এবং শ্যামল দত্ত। এছাড়াও কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়, হরিৎ রত্ন, সৈকত ঘটক, প্রসেনজিৎ গড়াই, দেবাশিস ঘোষ এবং মৃত্যুঞ্জয় রায়। আপাতত এই ছ’জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে আরও ছ’জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হতে পারে।
“পিয়া সেনগুপ্তকে শত্রু মনে করি না। সকালে ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। আসার কথা বলেছিলাম।…”

এই বৈঠকে সুষ্ঠুভাবে ইম্পা পরিচালনার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে বিভিন্ন ভালো কাজের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনের ভুয়ো ভোটার এবং আর্থিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। নতুন কমিটি চ্যালেঞ্জের সঙ্গে দ্রুত সেসব কাজ নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার অন্তত এই অচলায়তন মিটতে চলেছে বলেই আশাবাদী সকলে। বৈঠক শেষে রতন সাহা বলেন, “আমি পিয়া সেনগুপ্তকে শত্রু মনে করি না। সকালে ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। আসার কথা বলেছিলাম। আমি সকলকে নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে ভালো কাজ করতে চাই।” অন্যদিকে ইমপার প্রাক্তন সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এই মুহূর্তে কারোর সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না। দ্রুত সুস্থ হয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হবেন তিনি।
সরকার বদলের পর গত আড়াই মাসে নানা সাংগঠনিক তরজা নিয়ে খবরের শিরোনামে থেকেছে ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন। পিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কারচুপির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন রতন সাহা, শতদীপ সাহাদের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। এমতাবস্থায় পিয়া ইম্পার অফিসে আসাই বন্ধ করে দেন। এমন আবহে পিয়ার কমিটিকে বেআইনি তোপ দেগে রতন সাহাকে অস্থায়ীভাবে ইমপার সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন পিয়ার গোষ্ঠী দাবি করেছিলেন, তাঁরা ভোটে জিতে এসেছেন এবং তাঁদের কমিটি বৈধ। তবে এই তরজায় আপাতত ইতি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ক্ষমতাবলে সমবায় সমিতিতে ‘দুর্নীতি’, স্ক্যানারে প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস
-
২২ গজের সব্যসাচী! দু’হাতে বল করে উইকেট নিয়ে এশিয়াডে ইতিহাস লঙ্কান স্পিনারের
-
প্রতিরক্ষায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’, সেনার হাত মজবুত করছে কলকাতার ব্রিটিশ আমলের ফ্যাক্টরি
-
পুজোয় ‘গ্লাস স্কিন’ চান? কোরিয়ান নয়, দেশি চালের গুঁড়োই করবে কামাল! জানুন ব্যবহারের পদ্ধতি
-
বান্ধবীকে নিয়ে লজে উঠেছে স্বামী, খবর পেয়ে গুন্ডা পাঠিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী!