Kanchan Mullick

ঋতুপর্ণার বাড়িতে কাঞ্চন-শ্রীময়ী, খেলেন চিংড়ি-মটন, রাত ২টো অবধি আড্ডা! ব্যাপারটা কী?

সুপারস্টার ঋতুপর্ণাকে প্রশংসায় ভরালেন শ্রীময়ী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫, ১৬:৪৬

options
link
ঋতুপর্ণার বাড়িতে কাঞ্চন-শ্রীময়ী, খেলেন চিংড়ি-মটন, রাত ২টো অবধি আড্ডা! ব্যাপারটা কী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘোরাফেরা আর ভরপুর রোমান্সেই দাম্পত্যের এক বসন্ত পার করে ফেলেছেন কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজ মল্লিক। ভ্যালেন্টাইনস ডে-তেই ছিল তাঁদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী। ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে বিয়ের জন্মদিন সেলিব্রেট করেছেন তাঁরা। তবে এই বিবাহবার্ষিকীকে আরও বেশি স্পেশাল করে দিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অভিনেত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে সেকথাই জানালেন শ্রীময়ী।

Advertisement

কাঞ্চন-শ্রীময়ীর প্রেম-বিয়ে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কম চর্চা হয়নি। অনেক সময় নানা কটাক্ষও ধেয়ে এসেছে দম্পতির দিকে। কিন্তু সেসবকে তোয়াক্কা না করে জীবনের প্রতিটি আনন্দের মুহূর্ত ভারচুয়াল দুনিয়ায় অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। ইনস্টাগ্রামে দীর্ঘ পোস্টে শ্রীময়ী জানালেন ঋতুপর্ণার বাড়িতে তাঁর ও কাঞ্চনের বিশেষ আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা। নায়িকার আতিথেয়তায় মুগ্ধ শ্রীময়ী লিখেছেন, ‘আমি চলার পথে আমার আঠাশ বছরের যাত্রায় বেশ কিছু মানুষের সাথে আলাপ হয়েছে, মানুষ চিনেছি, মানুষ দেখেছি, বিশ্বাস করুন আমি কালকে রাত্রের পর অবাক হয়ে গেছি যে মানুষ এরকমও হয়। আমরা তো জীবনে কিছু করলাম কি করলাম না তার আগেই নিজেদেরকে স্টার ভাবতে, সুপারস্টার ভাবতে, মেগাস্টার ভাবতে শুরু করে দিই। মানুষকে অহংকার দেখাতে শুরু করি। বেশিরভাগ মানুষ এখন জাজমেন্টাল হয়ে মানুষকে ছোট করতে শুরু করে, মানুষকে নিয়ে কথা বলতে শুরু করি। কিন্তু ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত মানুষটিকে দেখে এখনো শেখার আছে, আমার সাথে একদিন একটা অনুষ্ঠানে আলাপ হয়েছিল, সেখান থেকে আমাদের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়, বন্ধুত্ব, হ্যাঁ বন্ধুত্বই বলবো কারণ আমার থেকে বয়সে বড় হলেও, বন্ধুত্বের সম্পর্কের আগে কোন সম্পর্কই হয় না। এবং তারপর উনি আমাদের কালকে আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী ট্রিট দিলেন ওনার বাড়িতে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শ্রীময়ী জানিয়েছেন, লুচি, ছোলার ডাল, বেগুন ভাজা, বাঁধাকপির তরকারি, চিংড়ির মালাইকারি, মটন, দই কাতলা, কুলের চাটনি, পাটিসাপটা, রসমালাই এবং মিষ্টি খাইয়েছেন ঋতুপর্ণা। সব বাড়িতে বানানো। রাত দুটো পর্যন্ত চুটিয়ে আড্ডাও দেন তাঁরা। লেখেন, ‘আমি বুঝতেই পারলাম না যে কীভাবে সময়টা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেল, কখন রাত দুটো বেজে গেল শুধু আড্ডা মারতে মারতে আমরা বুঝতেই পারলাম না এবং আড্ডা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। কাঞ্চন আর ঋতুদির কথোপকথন শুনে, কারণ আমার তো কোনও যোগ্যতাই নেই ওনাদের অভিনয় নিয়ে কথা বলার বা ওনাদের শিক্ষা, ওনাদের অভিজ্ঞতার কাছে আমি একজন নগণ্য। কীভাবে দুজন শিল্পী নিজেদের কাজ, ভালো ভালো সিনেমা, ভালো ভালো সংলাপ, ভালো ভালো ছবির জাতীয় পুরস্কার পাওয়া নিয়ে কথা বলতে বলতে, নিজেদের অভিনয় করা পুরনো ছবি দেখে স্মৃতিচারণ করে তাদের দুজনের চোখে জল চলে এল। হয়তো একেই বলে শিল্পী।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Sreemoyee Chattoraj Mullick (@sreemoyeechattoraj)

এরপরই শ্রীময়ীর সংযোজন, ‘মানুষ যে এত মাটির মানুষ হতে পারে, একজন সুপার ডুপারহিট স্টার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর মতো মানুষকে আমি কাছ থেকে না দেখলে বুঝতেই পারতাম না, এত ভালো মনের মানুষ আজও আছেন। এত সুন্দর মন থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদেরকে খাওয়ালেন, আমার ওনার ব্যবহারেই অর্ধেক পেট ভরে গেছে। আমি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর কাছে কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ জানালেও কম জানানো হবে, খুব খুব খুব ভালো সন্ধ্যা কাটালাম,সময়টা সারা জীবন আমার স্মৃতিতে থাকবে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.