ধুরন্ধর ছবির প্রথম পর্ব থেকেই উৎসাহ ছিল দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। দ্বিতীয় পর্ব পর্দায় আসতেই একইভাবে ধুমধারাক্কা হিট। হাজার কোটির ব্যবসা ছাড়িয়ে ফেলেছে ইতিমধ্যেই। এখনও বাকি ওটিটি পর্ব। তার আগেই রেকর্ড গড়ে চলেছে রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar 2)। আর যত দিন এগচ্ছে ততই প্রকাশ্যে আসছে ছবি তৈরির নেপথ্যের নানা গল্প। আদিত্য ধারের এই ছবিতে পাকিস্তান-বিরোধী চিত্রনাট্য, অভিনয় ছাড়াও ছবিটির অ্যাকশন দৃশ্য ছিল অন্যতম আকর্ষণ। আরও মজার বিষয়, ছবির অ্যাকশন দৃশ্যে বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্সে রণবীর সিং এবং অর্জুন রামপালের লড়াইয়ের সময় দেখানো বিস্ফোরণগুলো ছিল কিন্তু পুরোপুরি খাঁটি। কোনও জল মেশোনো ছিল না। পুরোদস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়েই তার ছবি তোলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
শুটের জন্য নাকি ব্যবহার করা হয়েছিল ৫০০ লিটার পেট্রোল। পর্দায় এই ধরনের ভয়াবহ বিস্ফোরণের দৃশ্যের ক্ষেত্রে পরিচালকেরা সাধারণত প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ছবির ক্ষেত্রে নাকি তেমন কিছুই হয়নি। ছবির অ্যাকশন ডিরেক্টর প্রকাশ জানান, আদিত্য ধার আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, দৃশ্য তিনি পুরো পুরি স্বাভাবিক এবং সাধারণ ভাবে দেখাতে চান।
তিনি কোনও ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান না। যদিও এই ধরনের ভয়ানক দৃশ্য শুট করাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষত যেখানে অভিনেতারা নিজেরাও উপস্থিত থাকছেন। ‘ধুরন্ধর’-এর শেষ দৃশ্যে একের পর এক বিস্ফোরণ, বন্দুকের গোলাগুলি থেকে শুরু করে গোটা তেলের ট্যাঙ্কার উড়িয়ে দেওয়ার মতো দৃশ্য রয়েছে। এই সব কিছুই তাঁরা বাস্তবে শুট করেন বলে জানিয়েছেন আ্যকশন ডিরেক্টর।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিনেপ্রেমীদের ভালোবাসায় ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের মাঝেই নাকি পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। পরিচালক আদিত্য ধার তাঁর পরবর্তী বড় প্রজেক্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নতুন একটি ভাবনা নিয়ে এগচ্ছেন আদিত্য।

তাঁর স্বীকারোক্তি, “বিষয়টা নিয়ে আমার উপর অনেক চাপ ছিল। তারজন্য আসল ট্রেনের ‘বেস’ এবং ‘কন্টেনার’ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আমাকে বলা হয়েছিল ২৫০ লিটার পেট্রোল ব্যবহার করতে। কিন্তু আমি জেদ ধরেছিলাম যে, অন্তত ৫০০ লিটারই লাগবে ঠিকঠাক বিস্ফোরণটা দেখানোর জন্য।”
প্রতিটি ট্যাঙ্কে তিনি বাড়তি ২৫ কেজি বিস্ফোরক ভরেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রকাশ। তবে শুটিংয়ের শেষে সকলেই তাঁর কাজের প্রশংসা করেছিলেন বলে জানান তিনি। অর্জুন রামপাল এবং রণবীর সিং দু’জনেই সহযোগিতা করেছিলেন বলে জানিয়েছেন অ্যাকশন ডিরেক্টর।

আরও একবার আদিত্য-রণবীর জুটির কামাল পর্দায় দেখার অপেক্ষায় হিন্দি ছবির দর্শক। বলিউড সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিনেপ্রেমীদের ভালোবাসায় ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের মাঝেই নাকি পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন।
পরিচালক আদিত্য ধার তাঁর পরবর্তী বড় প্রজেক্টের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নতুন একটি ভাবনা নিয়ে এগচ্ছেন আদিত্য। জানা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ মাসে এই ছবির শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এবং সেই ছবিতেও প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে রণবীর সিংকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ডায়েট ফ্রেন্ডলি গাজরের হালুয়া! ‘সোনার পাথরবাটি’ নয়, ৩টি বিষয় মাথায় রাখলে বানানো যায় সহজেই
-
তিব্বতে ফের হ্রদ ভাঙলে ভাসবে বিহার! নদীগুলিতে চলছে কড়া নজরদারি, বাড়ছে আতঙ্ক
-
মাঝ সমুদ্রে ট্রলারডুবি, ৯ মৎস্যজীবীর পরিবারকে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
বিএসএস নাম প্রত্যাহার করায় কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে মোহনবাগান, এক পয়েন্ট দরকার ইস্টবেঙ্গলের
-
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরেই পদক্ষেপ, মুছল যাদবপুর ক্যাম্পাসের ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন