Satabdi Roy

‘গেলেও দোষ, না গেলেও দোষ’, রাত দখলে ঋতুপর্ণাকে হেনস্তার তীব্র নিন্দা শতাব্দীর

আর কী বললেন শতাব্দী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪, ১৭:৩৬

options
link
‘গেলেও দোষ, না গেলেও দোষ’, রাত দখলে ঋতুপর্ণাকে হেনস্তার তীব্র নিন্দা শতাব্দীর

নন্দন দত্ত: বুধবার আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। শ্যামবাজারে তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। তাঁর গাড়িতেও ব্যাপক হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি বেগতিক হওয়ায় কোনওক্রমে গাড়িতে উঠে এলাকা ছাড়েন অভিনেত্রী। ঋতুপর্ণার এই হেনস্তার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন টলিউডের বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। আর এবার সেই ঘটনায় মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়।

Advertisement

ঋতুপর্ণার হেনস্তার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শতাব্দী রায় জানালেন, ” খুবই অন্যায় হয়েছে। গেলেও দোষ, না গেলেও দোষ। একজন শিল্পী যদি কোনও আন্দোলনে যোগ দেন, তখন তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আর যদি না যান, তাহলে দোষারোপ করা হচ্ছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের বোঝা উচিত, যাঁরা এধরনের আচরণ করছেন তাঁরা আসলে কী চাইছেন!”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শতাব্দী আরও জানালেন ‘প্রতিবাদ বা আন্দোলন হল গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে সেই অধিকার ব্যবহারে একজন শিল্পী বা কোনো ব্যক্তিকে হেনস্থা করা কোনওভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়। আমাদের সকলেরই উচিত, একজন নাগরিক হিসেবে তার মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান করা।’

Advertisement

রাত দখলে হেনস্তা নিয়ে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিয়ে ঋতুপর্ণা জানিয়ে ছিলেন, ”এই আন্দোলনে আমি সেলিব্রিটি হয়ে যাইনি । আমি যখন যাই, তখনও কিছু হয়নি। মোমবাতি জ্বালাই। অভয়ার আত্মার শান্তি কামনা করি। শুনেছিলাম অভয়ার মা-বাবা আসবেন এই রাত দখলে। তখন কিছু লোক আশপাশে আমাকে ঘিরে ধরে। তাঁরা কিন্ত স্লোগান দেয়নি । ওখানে কিছু কলেজের পড়ুয়ারাও ছিল। যাঁরা মাইকে বলছিল ঋতুদিকে কিছু বলতে দিন। তার মাঝেই কয়েকজন সাংবাদিক প্রতিক্রিয়ার জন্য আমার কাছে আসে। সেই মুহূর্তেই হঠাৎ একদল লোক আমার দিকে রীতিমতো তেড়ে আসে। ‘গো ব্য়াক’ স্লোগান দিতে শুরু করে। এমন ধাক্কা দিল যে আমি পড়ে গেলাম। আমারে পাশে রাতাশ্রীও ছিল, সে আমার উপর পড়ে গেল। কিছু সাংবাদিকও পড়ে গেল। এটা কি প্রত্যাশিত ছিল? আমি তো একবুক সমবেদনা এবং বিচারের দাবি জানিয়ে সকলের সঙ্গে শামিল হতে গিয়েছিলাম। আমার নতুন গাড়িতে জোরে মেরেছে ওরা, গাড়ির কিছু জায়গা ভেঙে গিয়েছে। আমি মাঝে বললাম, যে আমার কথা আপনারা শুনুন! কিন্তু কেউ শুনল না। আরও জোরে স্লোগান দিতে শুরু করল। ওই একদল লোক মদ্যপ ছিল!”

ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ”আপনারা দেখবেন, গত ১৫ দিন আমি এতটাই মর্মাহত ছিলাম যে, কোনও ব্যক্তিগত ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করিনি। অ্যাকটিভই ছিলাম না তেমন। আমরা এই আন্দোলন কনস্ট্রাকশনের বদলে ডিকনস্ট্রাকসনের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা ভুলে যাচ্ছি আমাদের এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কি। আমি এবং আমরা সকলেই চাই, দ্রুত অভয়া বিচার পাক। একটা নারীর সম্মানের বিচার চাইতে গিয়ে আরেক নারীকে হেনস্তা করে অসম্মান করায় কী বীরত্ব রয়েছে?”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.