সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিল্পীর মৃত্য়ু হয়, শিল্পের নয়। একথা যেন, আরও জোরালো ভাবে প্রমাণ পেল ২৫ অক্টোবর অর্থাৎ শুক্রবার। ঠিক যখন গুগল ডুডলে স্থান পেলেন জনপ্রিয় গায়ক প্রয়াত কৃষ্ণকুমার কুন্নথ ওরফে কে কে। ১৯৯৯ সালে ঠিক এদিনই বলিউডের পর্দায় শোনা গিয়েছিল তাঁর কণ্ঠ। ছবির নাম মাচিস। আর গানটি হল ‘ছোড় আয়ে হাম ইয়ে গলিয়াঁ’। ২০২২ সালের মে মাসে কলকাতায় অনুষ্ঠান করতে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন গায়ক।
১৯৬৮ সালে দিল্লিতে জন্ম কেকের। শিল্পীর পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নথ। বলিউডে নিজের সফর শুরুর আগে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিজ্ঞাপনের ‘জিঙ্গল’ গেয়েছেন তিনি। মুম্বইয়ে কেরিয়ার শুরুর আগে বেশ কিছুদিন মার্কেটিংয়ের কাজও করেছেন। প্রথমে বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশনেই কাজ শুরু করেন কেকে। তারপর অ্যালবামের কাজে মন দেন।

কেকের প্রথম অ্যালবাম ‘পল’ বেশ জনপ্রিয় হয়। ‘ইয়ারো দোস্তি বড়ি হি হাসিন হ্যায়’ গান এখনও তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠে শোনা যায়। সিনেমার গানে কেকে-র সফর শুরু হয় এ আর রহমানের সংগীত পরিচালনায়। তবে বলিউডে তাঁর বড় ব্রেক ছিল ‘হাম দিল দে চুকে সনম’। তাঁর কণ্ঠে তুমুল জনপ্রিয় ‘তড়প তড়প কে’ গান। তারপর থেকে একের পর এক ‘হামরাজ’, ‘ওম শান্তি ওম’, ‘দশ’, ‘জন্নত’, ‘বচনা অ্যায় হাসিনো’র মতো সিনেমায় গান গেয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন। শুধু হিন্দি নয়, তামিল, তেলুগু, মারাঠি, কন্নড় এবং বাংলা ভাষাতেও গান গেয়েছেন কেকে। ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’ এবং ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিতে গান গেয়েছেন কেকে।
সর্বশেষ খবর
-
সিপিএম-আরএসপি দ্বন্দ্ব চরমে! চূড়ান্ত হলো না দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী
-
‘নিখোঁজ’ বিডিও কীভাবে পাচ্ছেন বেতন? প্রশান্ত বর্মনের মামলায় সিআইডিকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের
-
তসলিমার বক্তৃতা নিয়ে প্রশ্ন স্কুলের পরীক্ষায়! ‘লেখাকে অত সহজে নির্বাসিত করা যায় না’, খোঁচা লেখিকার
-
মণ্ডপের বদলে এবার গঙ্গাতেই প্রতিমা নিরঞ্জন, বিতর্ক কাটিয়ে এবার থিমে কোন চমক দেবে টালা প্রত্যয়?
-
শেফালির ঝড়, দীপ্তির দুরন্ত ঘূর্ণি! বাংলাদেশকে উড়িয়ে ১০ এশিয়া কাপের ১০ আসরেই ফাইনালে ভারত