নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন অঞ্জন দত্ত
আমার ছোটবেলাটা কেটেছে একটা বোর্ডিং স্কুলে। তাও আবার পাহাড়ে। ফলত ছোটবেলার পুজো বলতে আমার সেরকম কোনও স্মৃতি নেই। সাধারণত প্যান্ডেল ঘোরা, নতুন জামাকাপড়, হই-হুল্লোড়ের যে ছবিটা অনেকের ছোটবেলার অ্যালবামে তোলা থাকে আমার সেরকম কিছু নেই। দুর্গাপুজো আমাকে ছোটবেলায় ততটা প্রভাবিত করেনি। এফেক্টটা পড়েছে আর একটু বড় হওয়ার পর। তখন কিশোর আমি। ষোল-সতেরোর মতো বয়স। বোর্ডিং স্কুল থেকে কলকাতায় চলেও এসেছি। এই সময়টা আমার কাছে দুর্গাপুজো অন্য একটা মানে নিয়ে হাজির হল। সে সময় নেশা ছিল পুজোসংখ্যা পড়া। নতুন নতুন গল্প পড়ার মধ্যে আলাদা একটা উত্তেজনা ছিল। তারপর নাটক হত। পুজোর সময় স্পেশ্যালই নতুন নাটক হত। সেটা আমায় খুব টানত। পুজো মানেই নতুন গান। পুজোয় নতুন সিনেমা বেরত। সেই সময়টা পুজো মানে একটা নতুন লেখা কিংবা গান, সিনেমা বা নাটক- এইগুলোর জন্যই আমি অপেক্ষা করে থাকতাম।
[আমার দুগ্গা: ছোটবেলা থেকেই জমিয়ে ধুনুচি নাচে অংশ নিতাম]
পরে যখন গান গাইতে এলাম তখন পুজোটা আবার একটু পালটে গেল। প্রতিবছর নতুন গানের অ্যালবাম আনার একটা তাগিদ থাকত ভিতরে ভিতরে। সেটা করেওছি। সব মিলিয়ে আমার কাছে পুজোটা বরাবরই একটা কালচারাল ফাংশন। ছোটবেলাতেও পুজোর নাটক, সিনেমার জন্য অপেক্ষা করতাম। নিজে পুজোর সময় গানের অ্যালবামও করেছি। আমার কাছে পুজোর ফ্লেভারটা তাই পুরোপুরি সাংস্কৃতিক। ঠিক প্যান্ডেল ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখা বলতে যা বোঝায়, আমি তা কখনও করিনি। তবে যাঁরা তা করেন, তাঁদের আমার শুভেচ্ছা। কামনা করব, সকলে যেন পুজোয় আনন্দে থাকেন।
দেখুন ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অটুট বন্ধুত্বের বার্তা মোদির
-
কানাডার স্বপ্নের সফর শেষ, আজেদিনের জোড়া গোলে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো
-
‘বাংলায় সব সম্পদ আছে’, শিল্পপতিদের বিনিয়োগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
বৈভবের অভিষেকেও এল না জয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে পিছিয়ে পড়ল ভারত
-
রাস্তা তৈরিতে এবার ব্যবহার হবে ‘ম্যাস্টিক অ্যাসফল্ট’! বড় উদ্যোগ সিকিম সরকারের