সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭৫তম সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার রাতে পদ্মভূষণে ভূষিত হন উষা উত্থুপ (Usha Uthup)। সঙ্গীতশিল্পীর কণ্ঠে বাঁধভাঙা উচ্ছাস। উষার মন্তব্য, “আমি সবসময়ে বলি মুম্বই আমার জন্মস্থান হলেও কলকাতা আমার কর্মভূমি। আর আমি একজন সাচ্চা ভারতীয়। আমার দারুণ লাগছে। আমার দেশ, আমার দেশবাসীরা আমার কাজকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যখন আপনার সরকার এবং দেশের জনতা আপনাকে স্বীকৃতি দেয়, এর থেকে ভালো আর কিছু হতে পারে না।”
এরপরই ‘ডিস্কো ক্যুইন’ উষা উত্থুপের সংযোজন, “আমি আমার বাবা-মা এবং আমার পরিবারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, একজন সাধারণ গান্ধীবাদী এবং আমি গান্ধীজির মতোই সরল জীবনযাপন করতাম। আমি তো বটেই আমার পদ্ম সম্মানের খবরে আমার পরিবারের সকলেও খুব উচ্ছ্বসিত। এই অনুভূতি একেবারে আলাদা, কারণ আমি এখন মধ্যপথে। আমি নাইটক্লাব দিয়ে গায়িকা হিসেবে কেরিয়ার শুরু করি, তারপর বলিউডেও গেয়েছি। আমার দেশ, আমার শ্রোতা-অনুরাগীরা যে আমাকে এই সুযোগ করে দিয়েছে, তাতে আমি ধন্য়।”
[আরও পড়ুন: রামমন্দিরে যাওয়ার পরপরই পদ্মভূষণ পেলেন চিরঞ্জিবী, মোদিকে ধন্যবাদ ছেলে রামচরণের]
পাশাপাশি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে আগত নবীন প্রজন্মের জন্য বার্তা দিলেন উষা। তাঁর কথায়, “এখানে আসাটা তো খুব সহজ, তবে টিকে থাকা কঠিন। ধীরে ধীরে ওঠার চেষ্টা করো। বিগত ৫৪ বছর ধরে কাজ করে নিজের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলেছি। আর যা করবে সৎভাবে কোরো। আমাকে একজন জিজ্ঞেস করেছিলেন যে- ‘মৃত্যুর পর লোক আপনাকে লোক কীভাবে মনে রাখবে বলে আপনি চান?’ আমি বলেছিলাম- কারও মুখে হাসি ফোটার কারণ হয়ে থাকতে চাই। আমরা প্রত্যেকে যদি একজন মানুষের মুখেও হাসি ফোটাতে পারি, তাহলে আমরা বসবাস যোগ্য একটা তৈরি করতে পারি। কোভিড আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছি।”
[আরও পড়ুন: পদ্মশ্রীতে ভূষিত রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, পদ্মাপারের রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পীকে অনন্য সম্মান]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক