নিট ইস্যুতে কঙ্গনা রানাউতের নিশানায় যুবসমাজ। আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের ভাষা, পোস্টার ‘অশালীন’ ছিল বলে গুরুতর অভিযোগ সাংসদ-অভিনেত্রীর। ‘জেন জি’কে নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত বাক্যবাণ! তরুণ প্রজন্মকে ‘আবর্জনার প্রজন্ম’ বলে বিঁধেছেন কঙ্গনা। শুধু তাই নয়, ভারতীয় নারীদের খোঁচা, পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত। এতটাই ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ আর ‘কুৎসিত’ যে গৃহিণী হওয়ারও যোগ্য নন। বর্তমান প্রজন্মকে বেনজির আক্রমণ করতেই কঙ্গনাকে একহাত নিয়েছেন সুরকার ও গায়ক বিশাল দাদলানি ও বলিউডের বিতর্কিত অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত।
আরও পড়ুন:
জেন জির সমর্থনে বিশাল দাদলানির দাবি, আন্দোলনকারীদের ভাষা নিয়ে বিতর্কের বদলে তাদের ওপর হওয়া লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস, গুলি চালানো এবং মারধরের মতো ঘটনাগুলোকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। কঙ্গনার বক্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করে সমাজমাধ্যমে সুর চড়িয়েছেন বিশাল। বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে লিখেছেন ‘খারাপ ভাষা? রাস্তায় নেমে বাচ্চাদের মারছ। পাথর নিক্ষেপ করছ আবার তাদেরই দোষারোপ করছ? গুলি চালানো থেকে টিয়ার গ্যাস ছোড়া, পেলেট গান দিয়ে মুখ ঝাঁঝরা করে দিয়েছ। তাই এধরনের আচারণের তোমরা যোগ্য, আমার ফ্র্যান্ড’ (বন্ধু শব্দের ইংরাজি ফ্রেন্ডের ব্যাঙ্গাত্মক ভার্সন’।
View this post on InstagramAdvertisement
সতর্ক করে বলেছেন, ‘ইনফ্লুয়েন্সার ক্যাম্পেইন চালিয়ে জনমত বদলানোর চেষ্টা করলে তোমাদের আরও করুণ দেখায়।’ সঙ্গে একটি হাসির ইমোজি। এবার আসা যাক রাখির কথায়। কঙ্গনার উপর বেজায় চটেছেন অভিনেত্রী। সোনম ওয়াংচুকের অনশনের সময় থেকেই আন্দোলনের পাশে ছিলেন। তাই ‘জেন জি’র প্রতি কঙ্গনার বিরুপ মনোভাবে ফুঁসে উঠেছেন রাখি। প্রকাশ্যে ‘ডাইনি’ কটাক্ষ করে কঙ্গনার উদ্দেশে রাখির বার্তা, তরুণ প্রজন্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা উচিত নয়। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করে রাখি কঙ্গনার রাজনৈতিক যাত্রা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
তাঁর প্রশ্ন, “সাংসদ হওয়ার জন্য তুমি এমন কী করেছ? তারকা তকমা দূরে রেখে যদি কখনও নির্বাচনে লড়াই করতে তাহলে একজন মানুষও তোমাকে ভোট দেবে না। জানি না তুমি কীভাবে মান্ডির সাংসদ পদে অসীন হলে।” ভারতীয় নারীদের প্রতিও কটূ শব্দ ব্যবহার করেছেন।
সেই প্রসঙ্গে রাখির সংযোজন, ‘দেশের মেয়েদের সম্পর্কে কীসব বলছ? ছাত্রছাত্রীদের, দেশের কন্যাদের নিয়ে এভাবে কথা বলছ কেন? বিমানবন্দরে তোমাকে একবার চড় মারা হয়েছিল, মনে আছে তো? ভয় লাগে না? এভাবে চলতে থাকলে দেশবাসীর রোষের মুখে পড়তে হবে।’
View this post on Instagram
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে এক সিআইএসএফ কনস্টেবলের হাতে কঙ্গনা চড় খেয়েছিলেন কঙ্গনা। কৃষকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার জেরেই নাকি জনসমক্ষে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। কঙ্গনাকে রাখির চ্যালেঞ্জ, “আগে নিজের চরিত্র আর অতীতের কীর্তিগুলো ফিরে দেখো। তোমার মুখে এত নোংরা ভাষা মানায় না। দেশের মেয়েদের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো নৈতিক অধিকার তোমার আছে? সাহস থাকলে একা বেরিয়ে ঘুরে দেখো যেমন আমরা ঘুরি। তখন বুঝতে পারবে দেশের যুবসমাজ কতটা শক্তিশালী। সংসদে বসে আজেবাজে কথা বলছ? দেশের মেয়েদের নিয়ে এত অপমানজনক মন্তব্য করার অধিকার কে দিয়েছে?”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ