সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজই কী প্রখ্যাত সঙ্গিতশিল্পী মান্না দে’র জন্মশতবার্ষিকী? ঠিক এই প্রশ্নেই দ্বিধাবিভক্ত শিল্পীর পরিবার ও তাঁর ভক্তকূল। একপক্ষের দাবি ১৯২০-র পয়লা মে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মান্না দে। তো অন্যপক্ষের দাবি, ১৯২০ না সালটা ১৯১৯। এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
একদিকে রয়েছেন মান্না দে-র মেয়ে সুস্মিতা দেব ও জামাই জ্ঞানরঞ্জন দেব। তাঁদের দাবি, মহান সংগীতশিল্পীর জন্মসালকে বিকৃত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রমাণস্বরূপ তাঁরা জানিয়েছেন, মান্না দে-র পাসপোর্টে উল্লেখ রয়েছে তাঁর জন্ম ১৯২০-র পয়লা মে কলকাতায়। এছাড়া ২০০৮-এ যে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন শিল্পী, সেখানে তিনি নিজেই জন্মসাল ১৯২০ লিখেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে মান্না দে-র মেয়ে ও জামাইয়ের পক্ষ থেকে।

অপরপক্ষ অর্থাৎ মান্না দে সংগীত অ্যাকাডেমি ও মান্না দে ফাউন্ডেশন সেই যুক্তি মানতে নারাজ। মান্না দে সঙ্গীত অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গৌতম রায়ের দাবি, মান্না দে-র উপরে একটি বই লিখেছিলেন তিনি। বইতে শিল্পীর ভাগ্যচক্র দিতে গিয়ে তাঁর নজরে এসেছিল বৃহস্পতিবার জন্মগ্রহণ করেছিলেন মান্না দে। কিন্তু ১৯২০-র পয়লা মে বৃহস্পতিবার ছিল না। সেটা ছিল ১৯১৯-এর। তখন বিষয়টি শিল্পীকে জানালে, মান্না দের অনুমতিতেই নিজের বইতে শিল্পীর জন্মসাল ১৯১৯-র পয়লা মে লিখেছিলেন তিনি। এমনই জানিয়েছেন গৌতম রায়।
২০১৯-র পয়লা মে সঙ্গীত শিল্পী মান্না দের জন্মশতবর্ষ ধরে নিয়ে সারাটা বছর ধরে তা পালন করতে কলকাতার মহাজাতি সদনে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে মান্না দে সংগীত অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে। যদিও অ্যাপিলের ভিত্তিতে এই ধরনের অনুষ্ঠানের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল বেঙ্গালুরুর নগর দায়রা আদালত। মান্না দে-র পরিবারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৯-এ তাঁরা শুরু করবেন শিল্পীর জন্ম শতবর্ষ পালনের অনুষ্ঠান।
সর্বশেষ খবর
-
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে স্রেফ হাসিনা-কেন্দ্রিক করে লাভ নেই
-
‘ভারতকে এর মূল্য চোকাতে হবে’, মার্কিন আদালতে আদানির স্বস্তিতে মোদিকে তোপ রাহুলের
-
‘আর জি করের মতো পাপ থেকে বাঁচতে মানুষকে গীতা পড়াতে হবে’, আদ্যাপীঠে পুজো দিয়ে বার্তা শুভেন্দুর
-
‘খাবে এই দেশে, লড়বে প্রতিবেশীর জন্য’, বর্ষীয়াণ নাসিরুদ্দিনকে কেন ‘নেকড়ে’ কটাক্ষ কঙ্গনার?
-
রণং দেহি কিম! আমেরিকা-দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়ার আগেই ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া