সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: না জুটছে পুত্রবধূ না জুটছে ভোটে সাফল্য। দিল্লির ফলপ্রকাশের পরই বিতর্কিত পোস্টে রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধীকে খোঁচা দিলেন অভিনেতা তথা প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ পরেশ রাওয়াল। কটাক্ষের সুরে পরেশ বলছেন, ‘এক মায়ের দুঃখ বুঝুন।’
দিল্লির ফলাফল বলছে ২৭ বছর পর রাজধানীতে বিজেপির ‘ওয়াপসি’ হতে চলেছে। ৭০ আসনের মধ্যে ৪৮টি জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে গেরুয়া শিবির। ৭০-এ ২২ পেয়ে গেল গেল রব আপ শিবিরে। কংগ্রেস এবারও শূন্য পেয়েছে। শুধু এবার নয়, বিধানসভা এবং লোকসভা ধরলে শেষ ছটি নির্বাচনে দিল্লিতে কংগ্রেসের খাতায় শূন্য। অথচ তাতে বিশেষ দুঃখ নেই হাত শিবিরের। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পরাজয়েই যেন নিজেদের সাফল্য দেখছে হাত শিবির।
তবে ফলপ্রকাশের পরই সোশাল মিডিয়ায় কংগ্রেসকে নিয়ে রসিকতা শুরু হয়েছে। সেই রসিকতায় শরিক হয়েছেন পরেশ রাওয়ালও। এক এক্স ইউজারের একটি পোস্ট রিপোস্ট করে পদ্মশ্রী প্রাপ্ত অভিনেতা বলছেন, ‘একজন মায়ের দুঃখ বুঝুন। ‘বহু’ অর্থাৎ পুত্রবধূও জোটে না আবার ‘বহুমত’ অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও জোটে না।’ পরেশের এই পোস্টকে অনেকে নিছকই মজার ছলে নিয়েছেন। আবার অনেকে অভিনেতার এই পোস্টের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই ধরনের পোস্ট নিম্নরুচির পরিচয়।
এই অবশ্য প্রথম নয়, এর আগেও বহুবার কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারকে নিশানা করেছেন পরেশ। আসলে তিনি ঘোষিত বিজেপি সমর্থক। শুধু সমর্থক বললে কম বলা হয়, কিংবদন্তি এই অভিনেতা আসলে বিজেপি নেতা। ২০১৪ সালে পদ্ম টিকিটে আহমেদাবাদ পূর্ব আসন থেকে জিতে সংসদেও যান রাওয়াল। ২০১৯-এ অবশ্য আর ভোটে দাঁড়াননি তিনি। আপাতত সক্রিয়ভাবে রাজনীতি না করলেও মাঝে মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় বিজেপির হয়ে প্রচার করতে দেখা যায় তাঁকে।
সর্বশেষ খবর
-
সোনার সময় ইস্টবেঙ্গলের, ডুরান্ড জয়ের পর কলকাতা লিগেও দাপট লাল-হলুদ বাহিনীর
-
থমকে পদোন্নতি, বাড়ছে না বেতন? বাস্তু মেনে কর্মক্ষেত্রে এই ছোট্ট কাজটি করলেই কেল্লাফতে
-
ফুটপাথে দুধ গরম কাণ্ডে মর্মাহত, অসহায় পরিবারের দায়িত্ব নিতে চান মমতা
-
‘ঠাকুরঘরে যাও, জিতলেই ৫০ হাজার’, ‘দাদাগিরি’র মঞ্চ থেকে স্ত্রীকে ভিডিও কলে রসিকতা সজলের
-
স্কুলের ২০ লক্ষ টাকা তছরুপ প্রধান শিক্ষকের! মাথায় গোবর-ডিম ঢেলে ‘শাস্তি’ অভিভাবকদের