Janhvi Kapoor

জাহ্নবীর ‘অশ্লীল কন্টেন্ট’ মামলা: তারকা হলেই সব নিয়ন্ত্রণ করা যায়? প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের

সম্প্রতি ব্যক্তিঅধিকার রক্ষার স্বার্থে দিল্লি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন জাহ্নবী কাপুর। অভিযোগ, বিনা অনুমতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাঁর নাম-ছবি ব্যবহার করে ব্যবসা করা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
জাহ্নবীর ‘অশ্লীল কন্টেন্ট’ মামলা: তারকা হলেই সব নিয়ন্ত্রণ করা যায়? প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের
তারকা হলেই সব নিয়ন্ত্রণ করা যায়? জাহ্নবী কাপুরকে প্রশ্ন দিল্লি হাই কোর্টের

ডিজিটাল যুগে তারকাদের ডিপফেক ভিডিও কিংবা অশ্লীল কন্টেন্ট ছড়িয়ে পড়া প্রায় জলভাতের মতোই হয়ে দাঁড়িয়েছে! এযাবৎকাল বহু বলিউড তারকাই ব্যক্তিঅধিকার রক্ষার স্বার্থে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। উপরন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারসাজিতে ফ্যান পেজগুলির দৌড়াত্ম্যে তারকাদের প্রায় নাজেহাল অবস্থা। সম্প্রতি ‘পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট’-এর শিকার হওয়ায় দিল্লি হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor)। অশ্লীল কন্টেন্ট তৈরি করা ফ্যান পেজগুলি অবিলম্বে বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই বাকস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করে বড় নির্দেশ দিল্লি উচ্চ আদালতের।

Advertisement

দিল্লি উচ্চ আদালত স্পষ্টভাবে জানায় যে, অভিনেত্রীর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কোনও ছবি-ভিডিও ব্যবহার করা যাবে না। তবে ফ্যান পেজগুলিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে চায়নি আদালত। কেন?

আদালতের রায়ে একদিকে যখন স্বস্তিতে জাহ্নবী, আরেকদিকে নায়িকা ধাক্কা খেয়েছেন, বললেও অত্যুক্তি হয় না। অভিনেত্রীর অভিযোগ, বিনা অনুমতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাঁর নাম-ছবি ও পরিচিতি ব্যবহার করে নানা ধরনের বাণিজ্যিকভাবে লাভ করা হচ্ছে। জাহ্নবীর আইনজীবীরা এহেন প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি ওয়েবপেজ এবং পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। যেগুলির মধ্যে জাহ্নবী কাপুরের কিছু ফ্যানপেজের লিঙ্কও ছিল। তার ভিত্তিতেই দিল্লি উচ্চ আদালত স্পষ্টভাবে জানায় যে, অভিনেত্রীর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কোনও ছবি-ভিডিও ব্যবহার করা যাবে না। তবে ফ্যান পেজগুলিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে চায়নি আদালত। কেন?

Advertisement
Janhvi Kapoor’s obscene content case
জাহ্নবী কাপুর

এপ্রসঙ্গে বিচারপতির বক্তব্য, সোশাল মিডিয়ায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি এড়িয়ে গেলে চলবে না। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কোনও তারকা কীভাবে তাঁর নামে থাকা প্রতিটি ফ্যান ক্লাবের পেজ বন্ধ করে দিতে পারেন? পাশাপাশি জাহ্নবীর আইনজীবীকে এও জানানো হয় যে, তারকাদের ব্যক্তিঅধিকার রক্ষা করতে গিয়ে কারও বাকস্বাধীনতা খর্ব করা উচিত নয়। আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে, তারকা হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁকে নিয়ে জনসাধারণের সমস্ত বক্তব্য নিয়ন্ত্রণ করার অধিকারও তৈরি হবে। শুনানিতে এও জানানো হয় যে, কেউ যদি কোনও তারকার ছবি ব্যবহার করে নিজের তৈরি পণ্য বিক্রি করেন, তাহলে সেটিকে ওই তারকার ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘন বলা যায় না। কারণ এক্ষেত্রে ছবিটি যিনি তুলেছেন বা সেই শিল্পকর্ম যাঁর তৈরি, তাঁর নিজস্ব কপিরাইট থাকতে পারে। শুধুমাত্র জাহ্নবী ছবি রয়েছে বলেই সেই শিল্পকর্ম বিক্রি করা বেআইনি- এমনটা সরাসরি বলা যায় না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.