বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত টলিপাড়া, পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে মুখ খুললেন নায়িকারা

কী বললেন তনুশ্রী, পাওলি, ইশা, পার্নো, দর্শনারা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৮, ১৬:১৯

options
link
বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত টলিপাড়া, পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে মুখ খুললেন নায়িকারা

কেউ যাবেন রাশিয়ায়, কেউ শুটিংয়ে। কিন্তু টলিউডের মন পড়ে থাকবে আর্জেন্টিনা কিংবা ব্রাজিলে। কেউ আবার নিজের ঘরে নিজের মতো আয়োজনে ফুটবলে মজবেন গোটা একটা মাস। টলিপাড়ার ফুটবল ম্যানিয়ার হদিশ নিলেন নির্মল ধর, কোয়েল মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ লাহা। প্রথম পর্বে বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত তনুশ্রী, পাওলি, ইশা, পার্ণো, দর্শনারা।

Advertisement

[জমজমাট নুসরতের ইফতার পার্টি, অতিথি কে জানেন?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তনুশ্রী চক্রবর্তী: ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ চার বছর পরে একবার আসে। আমি ভীষণই ফুটবল অনুরাগী। তাই খেলা মিস করার প্রশ্নই আসে না। আমি ছোট থেকেই বাবার সঙ্গে বসে খেলা দেখি। আমার অলটাইম ফেভরিট ফুটবলার মারাদোনা। আমি তাই বরাবর আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করি। আর্জেন্টিনা ছাড়াও আমি ব্রাজিলের ম্যাচ দেখব। কারণ আমার বাবা ব্রাজিলের সাপোর্টার। সেজন্য ফুটবল নিয়ে আমার আর বাবার মধ্যে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা চলে এসময়। এবারেও বাড়িতেই খেলা দেখব। তবে আমি গর্বিত কারণ আমাদের দেশের ফুটবলার সুনীল ছেত্রী আন্তর্জাতিক ফুটবল আঙিনায় গোল স্কোরার হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

Advertisement

ইশা সাহা: আমি ক্রিকেটের ভক্ত হলেও বিশ্বকাপ ফুটবলেও চোখ রাখি। আমার ভাই খেলা দেখে। তাই আমিও চোখ রাখি খেলায়। আমার মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে বেশ ভাল লাগে। ওদের খেলা দেখার ইচ্ছে রয়েছে। আমার অত্যন্ত প্রিয় অলটাইম ফেভরিট ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম। তাই শুধু বেকহ্যাম নামটা থাকায় আমি। ‘বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যাম’ ছবিটা দেখেছিলাম। আর্জেন্টিনা, পর্তুগালের ম্যাচ দেখব মেসি আর সিআর সেভেনকে দেখার জন্য। তবে আমার আশা একদিন আমার দেশ ভারতও মূলপর্বে ওয়ার্ল্ড কাপ খেলবে। সেদিন আমি নিজের দেশের হয়ে অবশ্যই চিয়ার করব।

[OMG! প্রকাশ্যে এমন কাজও করেছিলেন করণ জোহর!]

পার্নো মিত্র: আমি ব্রাজিলকে সাপোর্ট করছি এই ফুটবল বিশ্বকাপে। আমার ফেভরিট ফুটবলার আর কেউ নন নেইমার। আই লাভ ওয়ার্ল্ড কাপ। গতবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সেই হার আমি এখনও ভুলতে পারিনি। আমাকে তো তার পর ‘সাত ভাই চম্পা’ বলে সকলে খেপাতেও শুরু করে দিয়েছিল। কারণ ওরা আর্জেন্টিনার ফ্যান ছিল। ব্রাজিল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর আমি জার্মানিকে সাপোর্ট করতে শুরু করি। আর তারপর যখন আর্জেন্টিনা হারল, আমি বলে বোঝাতে পারব না কী খুশি হয়েছিলাম! যারা যারা আমাকে ‘সাত ভাই চম্পা’ বলে খেপিয়েছিল তাদের বলেছিলাম, এবার বল কী বলবি? ডেফিনেটলি, এবারও বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার প্ল্যান আছে। আর এবারও ব্রাজিলের হয়েই গলা ফাটাব আমি।

দর্শনা বণিক: আমি ব্রাজিলের সমর্থক। তাই এবারের ওয়ার্ল্ড কাপে ব্রাজিলের সব ম্যাচ অবশ্যই দেখব। তাছাড়াও আর্জেন্টিনা ও জার্মানির খেলা দেখব। আমি নেইমারের ফ্যান। তবে মেসির খেলাও আমার ভাল লাগে। কিন্তু মেসি যে টিমের হয়ে খেলে সেই আর্জেন্টিনাকে আমি সাপোর্ট করি না। এ বছর রাশিয়ায় বাবার সঙ্গে খেলা দেখতে যাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু শুটিং থাকায় যেতে পারছি না। তাই মন খারাপ। বাবা এবার রাশিয়ায় খেলা দেখবে। আমার অলটাইম ফেভরিট প্লেয়ার জিদান। ছোটবেলায় একবার অঙ্ক পরীক্ষা ছিল, তাই প্র‌্যাকটিস করছিলাম। কিন্তু দাদা এসে ব্রাজিলের খেলা হচ্ছে বলাতে ছুটে চলে যাই। ইচ্ছে রয়েছে বাড়িতে বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে খেলা দেখার।

পাওলি দাম: আমার ফেভরিট টিম ব্রাজিল। ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে আমি সবসময় এক্সাইটেড। সেই ছোটবেলা থেকেই। আমার বাবা ফুটবল খেলতেন। আমি ব্রাজিলের অন্ধ সাপোর্টার। ফেভরিট প্লেয়ার বলতে এখন নেইমার। তবে আমার ফার্স্ট ক্রাশ বেবেতো। এটা ১৯৯৪ ওয়ার্ল্ড কাপের কথা। এছাড়াও রোমারিও, দুঙ্গা, রবার্তো কার্লোস- সকলের খেলা দেখতেই খুব পছন্দ করতাম। ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য রাত তিনটের সময় উঠতাম। দাদাকে বলা থাকত, দাদাই ঘুম থেকে ডেকে দিত আমাকে। ভাই তখন খুব ছোট। আমি সারা রাত বসে ফুটবল খেলা দেখতাম। তার পরের দিন স্কুলও করতাম। এবারও ওয়ার্ল্ড কাপ দেখব। এত হেকটিক শিডিউলের মধ্যেও। আর ব্রাজিলকেই সাপোর্ট করব। কারণ, আই অ্যাম টু লয়্যাল!

[পক্ষাঘাতকে হার মানিয়ে স্বপ্নপূরণের কাহিনি, প্রকাশ্যে ‘সুর্মা’র ট্রেলার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.