Shamik Adhikary

‘চড় মেরেছিল’, শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে ‘সিলমোহর’ শমীকের মা-বাবার, ছেলের দোষ স্বীকার!

১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে শমীক। মা-বাবা দু'জনেই একবাক্যে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ স্বীকার করে নিলেন। কী জানালেন তাঁরা?

রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৫:০১

options
link
‘চড় মেরেছিল’, শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগে ‘সিলমোহর’ শমীকের মা-বাবার, ছেলের দোষ স্বীকার!
মুখ খুললেন অভিযুক্ত শমীকের মা-বাবা, ছবি- সোশাল মিডিয়া

বান্ধবীকে শারীরিক নির্যাতন এবং যৌন হেনস্তার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেপ্তার হন ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারী। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘ননসেন’কে পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে শমীক অধিকারীর গ্রেপ্তারির পরই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ ঘেঁটে বের করেছে সোশাল পাড়া! সম্প্রতি ‘বাটন’ শীর্ষক এক ভিডিওতে বাংলার বিরোধী শিবিরের হয়ে প্রচার করেছিলেন বলে দাবি একাংশের। সেই সূত্রেই শাসক দলকে টেনে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে কুৎসায় নেমেছে একদল নেটবাসিন্দা। এমন আবহে অভিযুক্ত শমীকের মা-বাবা ছেলের দোষ স্বীকার করে নিলেন।

Advertisement

অশান্তি চলাকালীন যে প্রেমিকাকে শারীরিক আঘাত করেছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার শমীক, মা-বাবা দু’জনেই একবাক্যে স্বীকার করে নেন সেকথা। বয়ানে নির্যাতিতা সাফ জানিয়েছেন যে, মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে দেন শমীক। এমনকী অভিভাবকের উপস্থিতিতেই যে ফ্ল্যাটে এমন ‘পাশবিক’ কাণ্ড ঘটিয়েছেন অভিযুক্ত ইনফ্লুয়েন্সার, সেকথাও স্পষ্ট জানান ওই তরুণী। নির্যাতিতার সাফ মন্তব্য ছিল, “মারের চোটে আমার এক চোখ ফুলে যায়। আমার চোখের নিচে এখনও কালশিটে পড়া। এরমাঝে আমার চিৎকার শুনে ওর মা-বাবা আসে। তখন ও নিজে সুইসাইডের হুমকি দেয়। ওর বাবা-মা তাতেই ভয় পায়। কিন্তু আমাকে মারছে দেখেও ওরা আমাকে একা ফেলে চলে যায়। আমি ওর মাকে ইশারা করে বলতে থাকি ‘আন্টি, কাউকে একটা ফোন করো।’ কারণ আমার ফোন আমার কাছে ছিল না। কিন্তু ওর মা আমার কথা না শুনেই আমাকে ওখানে ছেড়ে চলে যায়। কারণ ওরা নিজেই ভয় পাচ্ছিল শমীকের এহেন রূপ দেখে।” এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইনফ্লুয়েন্সারের মা-বাবা ঠিক কী জানালেন?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Youtuber Shamik in 10 day police custod
শমীক অধিকারী, ছবি: সোশাল মিডিয়া।

শমীকের মায়ের মন্তব্য, “আমি কিছু বুঝতেই পারিনি ওরা কী বলছে। আমরা ভেবেছি ওদের ব্যক্তিগত বিষয়, তাই আমরা মাঝখানে যাইনি। আমাদের ঘর শিফট হচ্ছে বলে আমরাও নানান কাজে ব্যস্ত। এবার পরিস্থিতি এত জটিল হয় যে ওকে একটা চড় মারে শমীক।” পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা বাবা জানালেন, “ওদের চেঁচামেচি শুনে আমি তখন দৌড়ে যাই। হয়তো হাত ধরে টানাটানিতেই কালশিটে পড়ে যায়।” শমীকের মা-বাবা দু’জনেই একবাক্যে স্বীকার করে নেন যে তাঁদের ছেলে চড় মেরেছে। উল্লেখ্য, ইনফ্লুয়েন্সার ‘ননসেন’-এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বেহালা থানায় বলপ্রয়োগ, জোর করে আটকে রাখা, শারীরিক নিগ্রহের পাশাপাশি ধর্ষণের ধারাও যোগ করেছে পুলিশ। এর মাঝেই তরুণীকে বলপ্রয়োগ ও শারীরিক নিগ্রহে তত্ত্বে সিলমোহর পড়ল অভিযুক্ত শমীকের বাবা-মার মন্তব্যে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.