Dharmendra Hema Malini

‘ভাগ্যিস সেদিন হেমা মালিনী আসেননি’, সানি-ববি আয়োজিত স্মরণসভায় কী ঘটে? ফাঁস দেওল ঘনিষ্ঠর

কেন সানি-ববি আয়োজিত স্মরণসভায় ব্রাত্য ছিলেন হেমা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ২০:৫৫

options
link
‘ভাগ্যিস সেদিন হেমা মালিনী আসেননি’, সানি-ববি আয়োজিত স্মরণসভায় কী ঘটে? ফাঁস দেওল ঘনিষ্ঠর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেওল পরিবারের অন্দরে কি ফাটল ধরেছে? ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর বিনোদুনিয়া থেকে সোশাল পাড়া সর্বত্র একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশেষ করে দুই পক্ষের স্ত্রী-সন্তানদের আলাদা করে স্মরণসভার আয়োজন চোখে আঙুল দিয়ে চিড় ধরার দিকেই ইঙ্গিত করেছে। মুম্বইয়ে যেমন সানি-ববিরা বাবার স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন, তেমন দুই কন্যা এষা-অহনাকে নিয়ে দিল্লিতে নেতা-মন্ত্রীদের জন্য আলাদা করে ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা করেন হেমা মালিনী। তবে উভয়েই উভয় পক্ষের অনুষ্ঠানে গরহাজির ছিলেন। যেখান থেকে একাংশের অনুমান, দেওলদের অন্দরের ‘ফাটল’ এবার স্পষ্ট! ধর্মেন্দ্রর জন্য পরিবারের এহেন পৃথক স্মরণসভা নিয়ে এবার মুখ খুললেন দেওল ঘনিষ্ঠ হলমালিক মনোজ দেশাই।

Advertisement

গত ২৪ নভেম্বর চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’। তবে শেষযাত্রার রাখঢাক বিতর্কের পর প্রয়াণের দিন তিনেক বাদে মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তারকাদের নিয়ে ধর্মেন্দ্রর ‘লার্জার দ্যন ফিল্মি লাইফ’ উদযাপনের জন্য স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন সানি দেওল, ববি দেওলরা। তবে ২৭ নভেম্বরের ওই স্মরণসভায় বলিউডের সিংহভাগ সেলেবরা হাজির থাকলেও দেখা যায়নি হেমা মালিনীকে। পরে পাপারাজ্জি সংস্কৃতির সুবাদে জানা যায়, ওই দিন হেমা নিজের বাড়িতে ঘরোয়া স্মরণসভায় গীতাপাঠ, পুজোআচ্চা করেন প্রয়াত স্বামীর নামে। সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গ উত্থাপন করেই এবার এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন মনোজ দেশাই। যিনি দেওল পরিবারের ভীষণ ঘনিষ্ঠ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Hema Malini shares health update of Dharmendra

Advertisement

মনোজের মন্তব্য, “ভাগ্যিস সেদিন হেমা মালিনী সানি-ববি আয়োজিত স্মরণসভায় আসেননি।” কারণ ব্যাখ্য়া করে তার সংযোজন, “হেমাজি না আসায় আমি অবাক হইনি। তবে কোনও বিতর্ক বা এধরনের আলোচনা হওয়ার আগেই, তিনি ধরমজির জন্য আলাদা প্রার্থনাসভার আয়োজন করেছিলেন। না এসে অবশ্য ভালোই করেছেন তিনি। আসলে হেমা এবং ধর্মেন্দ্রজি খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন, তবে সেদিন যদি ওঁদের নিয়ে হঠাৎ কেউ কোনও মন্তব্য করে বসতেন, তাহলে গোটা স্মরণসভাটাই লন্ডভন্ড হয়ে যেত। তাই ভালোই হয়েছে হেমাজি যে আলাদা করে দিল্লিতে স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন।” কী ঘটে সেদিন?

এপ্রসঙ্গে মনোজ দেশাইয়ের সংযোজন, “সানি দেওল, ববি দেওল আয়োজিত স্মরণসভায় গাড়ির এত লম্বা লাইন ছিল যে আমাকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ওঁদের দুই ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য। সানিকে গিয়ে বলি, অনেক লোক আসছে আমি সামনের গেট দিয়ে বেরব। ও পালটা আমায় ধন্যবাদ জানায় স্মরণসভায় আসার জন্য। বাইরে বেরিয়েও ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়েছিলাম গাড়ির জন্য। প্রায় গোটা মুম্বই এদিন উপস্থিত ছিল সেখানে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন