Kangana Ranaut

‘অকর্মণ্য-বেকার’, দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ‘আরশোলা’ সৌরভকে তোপ কঙ্গনার

'আরশোলা'র মুখপাত্র সৌরভ দাসকে কঙ্গনার খোঁচা, 'ওঁর বয়সে আমার ঝুলিতে দুটি জাতীয় পুরস্কার ছিল।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৫:৫৭

options
link
‘অকর্মণ্য-বেকার’, দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ‘আরশোলা’ সৌরভকে তোপ কঙ্গনার
সৌরভকে 'অকর্মণ্য' 'বেকার' বলে তোপ কঙ্গনার

‘ককরোচ’-এর মুখপাত্র সৌরভ দাসের সঙ্গে বিজেপি সাংসদ কঙ্গনার রানাউতের (Kangana Ranaut) পারস্পরিক দ্বন্দ্ব আরও জটিল আকার ধারণ করছে। নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ‘জেন জি’ নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করছে, অভিযোগ কঙ্গনা রানাউতের। পালটা আক্রমন শানিয়েছেন সৌরভ দাসও। ‘ক্যুইন’কে খোঁচা, “নিজের দলের লোকেরাই তাঁকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। তাহলে আমরাই বা কেন দেব? আমার মনে হয় না জেন জি, জেন আলফা বা তরুণ প্রজন্মের কেউ তাঁকে আদৌ গুরুত্বের সঙ্গে নেয় কিংবা তাঁর কথা শোনে।” এরপর বাকযুদ্ধ আরও জোরাল হয়। ‘আরশোলা’র মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ‘অকর্মণ্য’ ‘বেকার’ বলে তোপ দেগেছেন অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাউত।

Advertisement

আরও একধাপ এগিয়ে নিজের পিঠ চাপড়ে কঙ্গনার দাবি, সৌরভের বয়সে তাঁর ঝুলিতে দুটি জাতীয় পুরস্কার ছিল। একটি ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘আমি গুগলে এই ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু তথ্য খুঁজে পেলাম। ওঁর বয়স ২৮ বছর। কীভাবে নিজেকে ছাত্র দাবি করেন তা আমার বোধগম্য নয়। হ্যাঁ, আমি গত দুই বছর রাজনীতিতে আছি কিন্তু গত ২০ বছর ধরে জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত। ওঁর বয়সে আমি দুটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলাম।’

Advertisement
Kangana Ranaut and CJP's Saurav Das engage in a war of words over CJP Protest
কঙ্গনার পালটা আক্রমণ

সাংসদ হিসেবে অভিজ্ঞতা ভাগ করে লেখেন, ‘নতুন সাংসদ হিসেবে কাজের চাপ দেখে আমি কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। কারণ আমি একই সঙ্গে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেত্রী, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, উদ্যোক্তা। কিন্তু ওঁর মতো অকর্মণ্য, বেকার একজন মানুষের পক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়।’ বক্তব্যের একদম শেষভাগে কঙ্গনার সংযোজন, ‘প্রিয় সৌরভ, তোমার সমস্যাগুলো ব্যক্তিগত। তুমি ছাত্র নও, একজন বেকার মানুষ। আগে যে কোনও বিষয়ে দক্ষতা অর্জন কর, তারপর সেখান থেকে আগামীর পথচলা শুরু কর।’

Advertisement

সৌরভ দাস কী বলেছিলেন?

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সৌরভ দাস বলেন, “তিনি এখন একজন রাজনীতিবিদ। হিমাচল প্রদেশে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, সাংসদের কাজ খুব কম হবে বলে ভেবেছিলেন কিন্তু পরে বুঝেছেন যে একজন সাংসদের কাজ অত্যন্ত পরিশ্রমের। এই মন্তব্যেই তাঁর দায়িত্ববোধ বা গুরুত্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। তিনি আমাদের ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রজন্ম’ বলে অভিহিত করেন, অথচ তিনিই নিজের দায়িত্ববোধের অভাব প্রকাশ করে ফেলেছেন। আপনার চেয়ে জেন জি প্রজন্ম এই দেশের জন্য অনেক বেশি কাজ করেছে এবং এখনও করে চলেছে। দেশের গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেন জি ভূমিকা রেখেছে যা আপনি করেননি। তাই বিষয়টি আপনার অবশ্যই মনে রাখা উচিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.