ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। শনিবার রাতেই তাঁকে হালকা খাবার দেওয়া হয়েছিল। সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালি চিকিৎসাধীন বাংলার ‘মহাগুরু’। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কনসারভেটিভ ট্রিটমেন্ট চলছে তাঁর। মস্তিষ্কে কোনও ক্লট পাওয়া যায়নি। তবে শরীরের ডান দিকটা দুর্বল রয়েছে।

শোনা যায়, শনিবার সকালে উত্তর কলকাতায় শুটিং চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন মিঠুন। সেই সময়ে পাশেই ছিলেন অভিনেতা-প্রযোজক সোহম চক্রবর্তী। মিঠুন অসুস্থ বোধ করছেন বুঝতে পেরেই দ্রুত তাঁকে বাইপাসের ধারের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে এমআরআই করা হয়। বিকেলে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় নিউরো মেডিসিন কেবিনে পাঠানো হয়।
[আরও পড়ুন: রণবীরের ‘রামায়ণ’-এ শূর্পণখার চরিত্রে বলিউডের এই সুন্দরী? জল্পনা তুঙ্গে]
সন্ধ্যায় অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে প্রচারিত মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, “৭৩ বছরের মিঠুন চক্রবর্তী সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত, আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।” এমআরআই রিপোর্ট অনুযায়ী শিল্পীর শরীরের ডানদিকে সাময়িক অসাড় বোধ করছিলেন। বিশিষ্ট স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভৌমিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন তিনি। স্নায়ু, হৃদরোগ, মেডিসিন, গ্যাস্ট্রএন্টেরোলজি-সহ চার সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
শনিবার সকালে মিঠুন চক্রবর্তীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ চক্রবর্তী, দেবশ্রী রায়। রাতের দিকে হাসপাতালে যান দেব। গিয়েছিলেন বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। প্রত্যেকেই জানান মিঠুন ভালো আছেন। তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ X হ্যান্ডেলে অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে লেখেন, “রাজনৈতিক মতপার্থক্য যাই থাকুক, আজ শুধু একটাই কথা, সেরে উঠুন দাদা।” ইতিমধ্যেই কলকাতায় এসে পৌঁছেছেন মিঠুন চক্রবর্তীর বড় ছেলে মহাক্ষয় চক্রবর্তী ওরফে মিমো।
[আরও পড়ুন: ‘যে রাজনীতি সম্পর্ককে সম্মান দেয় না…’, মিঠুনকে দেখার পর কেন এমন বললেন দেব?]
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের