লগ্নজিতা চক্রবর্তী, স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিকের পর এবার অনুষ্ঠান করতে গিয়ে হেনস্তার মুখে টলিউডের তারকা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। বনগাঁর অনুষ্ঠানে দেরি করে পৌঁছনোর ফলে তাঁর পারফরম্যান্সের মাঝেই জোর করে মঞ্চ থেকে নামিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠল আয়োজক সংস্থার কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
গোটা ঘটনার কথা নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন মিমি। বনগাঁ থানায় তিনি হেনস্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। অভিনেত্রীকে হেনস্তার অভিযোগে নাম উঠে আসছে তনয় শাস্ত্রী নামে এক জ্যোতিষীর। তবে পুলিশ এখনও এনিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মিমি লিখেছেন, মঞ্চে অসম্মান কখনও বরদাস্ত নয়।

ঘটনা ঠিক কী ঘটেছে? সবটাই নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জানিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী নিজে। রবিবার বনগাঁর নয়া গোপাল গুঞ্জ যুব সংঘে তাঁর একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে পৌঁছতে তাঁর ঘণ্টাখানেক দেরি হয়। এরপর তৈরি হয় তিনি মঞ্চে ওঠেন। অগণিত দর্শক তাঁকে দেখতে, তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে উন্মুখ হয়ে ছিলেন। কিন্তু পারফরম্যান্সের মাঝে মিমিকে মঞ্চ থেকে কার্যত জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়। দেরিতে কেন এসেছেন অভিনেত্রী? এই প্রশ্ন তুলে তাঁকে আর পারফর্ম করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁর আরও অভিযোগ, যাঁরা তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এবং সবটাই ঘটেছে আচমকা, কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই। মিমির বক্তব্য, মঞ্চে এমন হেনস্তা কাম্য নয়, তা অসম্মানজনক। এখন এনিয়ে সরব না হলে এমন ঘটনা চলতেই থাকবে।

রবিবার বনগাঁর নয়া গোপাল গুঞ্জ যুব সংঘে মিমি চক্রবর্তীর একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে পৌঁছতে তাঁর ঘণ্টাখানেক দেরি হয়। এরপর তৈরি হয় তিনি মঞ্চে ওঠেন। কিন্তু পারফরম্যান্সের মাঝে মিমিকে মঞ্চ থেকে কার্যত জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়। দেরিতে কেন এসেছেন অভিনেত্রী? এই প্রশ্ন তুলে তাঁকে আর পারফর্ম করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
এদিকে, উদ্যোক্তা ক্লাবের কর্মকর্তা রাহুল বসু, শোভন দাসরা জানিয়েছেন, ”মিমি চক্রবর্তীকে কোনও অসম্মান করা হয়নি ৷ উনি এক ঘন্টা দেরি করে রাত সাড়ে এগারোটার পর মঞ্চে ওঠেন৷ প্রশাসনের দেওয়া টাইম এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে আমরা ঠিক রাত বারোটায় অনুষ্ঠান বন্ধ করি ৷ ওঁর অনুষ্ঠান চলাকালীন অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা অসম্মানিত মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা ওঁকে সসম্মানে বিদায় দিয়েছি।” যদিও আরেকটি অভিযোগ শোনা যাচ্ছে, তনয় শাস্ত্রী নামে নয়া গোপাল গুঞ্জ যুব সংঘের এক সদস্যই মিমিকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়েছেন। তবে পুলিশ এখনও এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্বাধীনতার ৭৯ বছর পার! দেশের গণতন্ত্র পরিণত হলেও এখনও রয়েছে বহু চ্যালেঞ্জ
-
রাত বারোটাতেও লাইব্রেরিতে পড়ার সুযোগ! পড়ুয়াদের জন্য পুলিশি নিরাপত্তা রায়গঞ্জে
-
দুপুর হলেই ঘুমে ঢুলে পড়েন? নেপথ্যে স্রেফ ক্লান্তি নাকি গুরুতর সমস্যা, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন…
-
উদয়নের জামিনে আপত্তি নেই! বিচারকের সামনেই বয়ান বদলে কী বললেন অভিযোগকারী?
-
বঙ্গে চালু ‘কৃষি সখী’ প্রকল্প! মহিলাদের দেওয়া হচ্ছে বিশেষ প্রশিক্ষণ, কীভাবে হবে কাজ?