বাড়ি থেকে নিজের বইপত্র নিয়ে ভোর ছ’টা থেকে জেলা লাইব্রেরির নিরিবিলি আবহে রাত বারোটা অবধি নিশ্চিন্তে পড়াশোনার সুযোগ পড়ুয়াদের। তাও আবার পুলিশি নিরাপত্তায়। ইচ্ছামতো পড়াশোনার নির্দিষ্ট পাঠকক্ষ। বাড়ি থেকে আনা বইয়ের পর প্রয়োজনে নিখরচায় লাইব্রেরির বইও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা সম্ভব। বাড়িতে পড়াশোনার অনুকুল পরিবেশ না থাকা ছেলেমেয়েদের জন্য কর্ণজোড়ায় অবস্থিত উত্তর দিনাজপুর রাষ্ট্রীয় জেলা গ্রন্থাগারে এমনই বিশেষ পরিষেবা চালু হয়েছে। আর তাতে রোজ সাড়াও মিলছে নজরকাড়া।
ছুটির দিনগুলো-সহ সপ্তাহের প্রতিদিন উৎসাহী অনেকে ছাত্রছাত্রী সকাল সকাল ওই লাইব্রেরির একতলার নির্দিষ্ট পাঠকক্ষে বাড়ি থেকে নিজের বইপত্র নিয়ে দিব্যি পড়াশোনার সামিল হচ্ছেন। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলের গবেষক পড়ুয়া সায়নী রায় বলেন, “লাইব্রেরির অফিস টাইম বেলা এগারো থেকে সন্ধা ছ’টা। কিন্তু সকাল ছ’টা-সাতটা থেকে নিশ্চিন্তে এখানে খুব নিরিবিলিতে পড়া প্রস্তুত করা যায়।” সংশ্লিষ্ট জেলা লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ সূত্রের দাবি, রোজ কমপক্ষে ৩০-৩৫জন ছাত্রছাত্রী নিজেদের বাড়ির লেখাপড়া এই লাইব্রেরি এসে করছেন।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, যেসব পরিবারের শিক্ষার্থীদের নিজেদের বাড়িতে স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ নেই। কিংবা আর্থিক কারণে বাড়িতে বৈদ্যুতিক পাখা আলোর সুযোগ সম্ভব নয়। সেই সব পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা জেলা প্রশাসনিক ভবন সংশ্লিষ্ট নিজস্ব পাঠকক্ষে নির্বিঘ্নে উত্তর পড়াশোনা করছেন। দিনাজপুরের রাষ্ট্রীয় জেলা লাইব্রেরি আধিকারিক দেবব্রতকুমার দাস বলেন, “বাড়ি থেকে নিজের বই নিয়ে পড়াশোনার জন্য একটি আলাদা বিভাগ চালু করা হয়েছে। অনেক ছেলেমেয়ের বাড়িতে পড়াশোনা করার পরিবেশ বা আলো-পাখা থাকে না অথবা পড়াশোনার পর্যাপ্ত ঘর নেই। সেইসব ছেলেমেয়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়াও লাইব্রেরির বই ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২ ঘণ্টায় ২ মিলিয়ন ‘ভিউ’! শিবপ্রসাদের ‘বহুরূপী’ ঝড়ে কৌশিকের ভবিষ্যদ্বাণী, ‘পুজোয় ফের মহাভোজ’
-
জওয়ানদের মাঝে সইফ, বিদেশে দেশভক্তি প্রিয়াঙ্কার, স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে জিৎ-কোয়েলরাও
-
ঐক্য ও সম্প্রীতির সুর নিউটাউনে, ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ উদ্যোগ
-
ব্রিকস সম্মেলনের আগেই ভারত সফরে তারেক, নেপথ্যে ঢাকা-দিল্লির কোন সমীকরণ?
-
সরকারি স্বাস্থ্য বিমায় বরাদ্দ বাড়াচ্ছে রাজ্য, নয়া হারে চিকিৎসার খরচ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীরা