শুভ্র প্রভাতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সূচনা। দিনভর দেশাত্মবোধক সুর ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূর্ছনা। স্বাধীনতা দিবসের ৮০তম বর্ষপূর্তিতে এমন এক মনোগ্রাহী অনুষ্ঠানের সাক্ষী রইল মন্মথপুর। ভারত সেবাশ্রম সংঘের আদর্শে পরিচালিত মন্মথপুর প্রণব মন্দিরের উদ্যোগে মহাসমারোহে পালিত হল এই বিশেষ দিনটি। অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে আয়োজিত হরেক কর্মসূচিতে দিনভর উৎসবে মেতে উঠলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন:
এদিনের আয়োজনে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে কৃতী পড়ুয়াদের সংবর্ধনা পর্ব। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, সনাতন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে এলাকার একাধিক গ্রাম্য পুজো কমিটিকে প্রদান করা হয় ‘প্রণবানন্দ হিন্দু সংস্কৃতি সেবা সম্মান’। কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে শ্রীশ্রী চণ্ডী, পবিত্র গীতা এবং ঠাকুরের ছাতা তুলে দেন উদ্যোক্তারা।
সামাজিক দায়বদ্ধতার অনন্য নজির গড়ে রবীন্দ্র অঞ্চলের ৮০ জন প্রবীণ মানুষের হাতে বস্ত্র ও গীতা তুলে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষকে চিরস্মরণীয় করে রাখতেই এই সুন্দর উদ্যোগ। এর আগে মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির, হিন্দু মিলন মন্দির এবং স্বামী প্রণবানন্দ মাতৃ সুরক্ষা মঞ্চে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয় পতাকা উত্তোলন।

বর্ণময় এই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের পূজনীয় সন্ন্যাসী স্বামী অন্নেষানন্দজি মহারাজ, ব্রহ্মচারী খোকন মহারাজ এবং স্থানীয় প্রধান ও উপপ্রধান। সম্মানিত করা হয় বিশেষ কয়েকজন বিশিষ্ট গুণীজনকে। ‘ইন্ডিয়ান বুক অফ রেকর্ডস’-এ স্থান পাওয়া শিল্পী পলাশ দাস, গবেষক ড. হিরণ্ময় রায় এবং সুরকার-চিকিৎসক ডা. কৃষ্ণেন্দু দেবের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। উৎসবের আবহে শিক্ষা, সমাজসেবা ও সংস্কৃতি চর্চার এই মেলবন্ধনে নতুন রূপ পায় মন্মথপুরে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, স্বাধীনতা দিবসে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ভারতের
-
‘এভাবেই ফাঁসিয়েছিলাম’, কোন মন্ত্রে কাঞ্চনকে কাবু করেছিলেন? ফাঁস করলেন শ্রীময়ী
-
সম্প্রীতির ভারত, স্বাধীনতা দিবসে ডোমকলের মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন বেলুড়ের মহারাজের!
-
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের জোরাল ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
-
রাত নামলেই চলত দেহব্যবসা! স্বাধীনতা দিবসে বসিরহাটের গেস্টহাউসে চলা কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস