সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “আমার অ্যাজেন্ডা একটাই রাষ্ট্রবাদ। বলিউড বলছে কঙ্গনা স্বার্থসিদ্ধির জন্য টুইটারে এসেছে, কিন্তু আমি সাফ জানিয়ে দিতে চাই যে আমার একমাত্র অ্যাজেন্ডা হল- রাষ্ট্রবাদ। যেখানে সবাই মিলে এক হয়ে নতুন ভারত গড়ে তোলার ডাক দিতে পারি,” মন্তব্য কঙ্গনার (Kangana Ranaut)। যার রেশ ধরে নেটজনতার একাংশ বলছেন, তাহলে কি কঙ্গনা রাজনীতির ময়দানে নামছেন?
এযাবৎকাল টুইটার প্রোফাইলের নাম ছিল ‘টিম কঙ্গনা রানাউত’। কিন্তু এবার নামের আগে থেকে সরে গেল ‘টিম’ শব্দ! কেন? কারণ, এখন থেকে কঙ্গনা যা বিবৃতিতে দেবেন, সেটা তাঁর নিজস্ব বলেই ধরা হবে। টুইটার প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করেছেন গত পরশুই। কিন্তু আজ, শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ভক্তদের জানিয়ে দিলেন যে, এবার তিনি অফিশিয়ালি টুইটারে পদার্পণ করলেন। আর তা শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের কী উল্লাস! যার জেরে টুইটারে এখন ট্রেন্ডিং #BollywoodQueenOnTwitter।
তা হঠাৎ বলিউড ক্যুইনের এমন সিদ্ধান্ত কেন? আসলে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই একেবারে রণংদেহি অবতারে রয়েছেন কঙ্গনা। ইন্ডাস্ট্রির নেপোটিজম, স্বজনপোষণ নিয়ে তাবড় তাবড় তারকাদের বিঁধতেও ছাড়েননি তিনি। তাঁকে বলিউডের আয়রন লেডি বললেও অত্যুক্তি হয় না বোধহয়! করণ জোহর, মহেশ ভাট থেকে আদিত্য রায় কাপুর, সলমন-আমির… কেউই তাঁর বাক্যবাণ থেকে বাদ যাননি। একাধারে সুশান্ত মৃত্যু নিয়ে কঙ্গনা এমন কার্যকলাপে নেটজনতার একাংশ যেমন তাঁকে সায় দিয়েছেন, কেউ বা আবার কঙ্গনাকে স্বার্থান্বেষী বলেও তোপ দেগেছেন! তাঁদের কথায়, কঙ্গনা ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। অন্যদিকে, অভিনেত্রীর টুইটার প্রোফাইলে ‘টিম’ শব্দের জন্য অনেকেই বলেছেন এটা চালাকি ছাড়া আর কিছুই নয়! নিজের পিঠ বাঁচাতেই পরোক্ষভাবে এর ব্যবহার। তবে কঙ্গনা যাবতীয় সব জল্পনা উড়িয়ে এবার নিজেই টুইটারে পদার্পন করলেন।
[আরও পড়ুন: ‘ছেলেদের অন্তর্বাস দেখা গেলে ইটস কুল! মেয়েদের ব্রা দেখলেই সমস্যা?’, বিস্ফোরক স্বস্তিকা]
যদিও নেটজনতার সেসব অভিযোগের দিকে কোনও দিনই কর্ণপাত করেন না কঙ্গনা। তিনি রয়েছেন নিজের মতো। কিন্তু কঙ্গনার অ্যাজেন্ডাটা কী? সোশ্যাল মিডিয়াতেই বা এত সক্রিয় কেন? মিনিটে মিনিটে টুইট করছেন আর প্রত্যেকটা টুইটেই বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির কাউকে না কাউকে বিঁধছেন। টুইটারে পা রেখেই অভিনেত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন যে, তাঁর একমাত্র অ্যাজেন্ডা হল- ‘রাষ্ট্রবাদ’। “নতুন ভারত গড়ে তুলতে সোশ্যাল মিডিয়াতেই আমরা সরব হতে পারি। সুশান্তের মৃত্যুর প্রতিবাদ যেরকম গোটা দুনিয়া করেছে, তাতে আমার আরও বেশি করে বিশ্বাস হয়ে গিয়েছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ার সত্যিই অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। যেখানে সরব হয়ে আমরা নতুন এক ভারত গড়ে তুলতে পারি”, মন্তব্য কঙ্গনার।
बॉलीवुड वालों का कहना है, कंगना अपने अजेंडा के चलते ट्विटर पे आयी है। आज मैं यह साफ़ कह देना चाहती हूँ की हाँ मेरा अजेंडा है..
1) राष्ट्रवाद
2)राष्ट्रवाद
3)राष्ट्रवाद— Kangana Ranaut (@KanganaTeam) August 21, 2020
This is for my twitter family 🥰🙏 pic.twitter.com/KGdJPPWrQ1
— Kangana Ranaut (@KanganaTeam) August 21, 2020
[আরও পড়ুন: প্রয়াত তারকাদের স্মরণে, মহালয়ায় ‘হইচই’-এ আসছে ‘তারাদের শেষ তর্পণ’]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’