প্রথম পাতা খেলা দেশ বিদেশ ই-পেপার
Mangala Kanta Roy

তিস্তাপাড়ে থামল সারেঙ্গির মূর্চ্ছনা, প্রয়াত পদ্মশ্রী মঙ্গলাকান্ত রায়

জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর। তাঁর প্রয়াণে তিস্তাপাড়ে শোকের আবহ। চোখের জলে ভাসছেন তাঁর অনুরাগী ও চেনা পরিচিতরা।

Advertisement ad
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ১৭:১১

options
link
তিস্তাপাড়ে থামল সারেঙ্গির মূর্চ্ছনা, প্রয়াত পদ্মশ্রী মঙ্গলাকান্ত রায় zoom
প্রয়াত সারেঙ্গি বাদক মঙ্গলাকান্ত রায়। ফাইল ছবি

ইহলোক ছেড়ে অমৃতলোকের পথে পদ্মশ্রী প্রাপক সারেঙ্গি শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর। তাঁর প্রয়াণে তিস্তাপাড়ে শোকের আবহ। চোখের জলে ভাসছেন তাঁর অনুরাগী ও চেনা পরিচিতরা।

আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সারেঙ্গি বাজানোর মাধ্যমে লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। শুধু যন্ত্র বাজানোই নয়, তিনি সারেঙ্গীর সাহায্যে অবিকল পশুপাখির ডাক বা হরবোলা সুর তুলতে পারতেন, যা ছিল তাঁর পরিবেশনার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

পরিবার সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে কর্কটরোগ বাসা বেঁধেছিল সারেঙ্গি শিল্পী মঙ্গলাকান্ত রায়ের শরীরে। গত দু-তিনমাস ধরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে জলপাইগুড়িতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করে চিকিৎসা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরিবার সূত্রে খবর, সম্প্রতি আরও ভেঙে পড়ে শরীর। খাওয়াদাওয়াও পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। বৃহস্পতিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সারেঙ্গী শিল্পী। শুক্রবার ময়নাগুড়ির ধওলাগুড়িতে শেষকৃত্য হয় তাঁর।

জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ধওলাগুড়ির বাসিন্দা মঙ্গলাকান্ত রায়। তিনি আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সারেঙ্গী বাজানোর মাধ্যমে লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। শুধু যন্ত্র বাজানোই নয়, তিনি সারেঙ্গীর সাহায্যে অবিকল পশুপাখির ডাক বা হরবোলা সুর তুলতে পারতেন, যা ছিল তাঁর পরিবেশনার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। চরম অনটনে জীবন কাটান তিনি। গত ২০২৩ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হন মঙ্গলাকান্ত রায়। জনপ্রিয় সারেঙ্গী শিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ তিস্তাপাড়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন