আমার দুগ্গা: ভাগ করে পুজোসংখ্যা পড়ার আনন্দই আলাদা

শ্রীজাতর ছেলেবেলার পুজো কেমন ছিল? দেখুন ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১২:৩৮

options
link
আমার দুগ্গা: ভাগ করে পুজোসংখ্যা পড়ার আনন্দই আলাদা

নতুন জামার গন্ধ। পুজোসংখ্যার পাতায় নয়া অভিযান। শরতের নীল-সাদা মেঘের ভেলায় পুজোর ছুটির চিঠি। ছোটবেলার পুজোর গায়ে এরকমই মিঠে স্মৃতির পরত। নস্ট্যালজিয়ার ঝাঁপি খুললেন শ্রীজাত

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমাদের ছোটবেলায় পুজো কিন্তু বেশ অন্যরকম ছিল। এখন সবই পালটে গিয়েছে, ছোটবেলাটাই বেশি ভাল ছিল, এটা হয়তো একঘেয়েই শোনাবে। সব ক্ষেত্রেই ছোটবেলা ভাল ছিল সেরকম নয়। অনেক কিছুই হয়তো এই বড় বয়সেই ভাল লাগে। কিন্তু ছোটবেলায় আমরা যেভাবে পুজো কাটিয়েছি, যেভাবে আনন্দ করতে পেরেছি তার সত্যিই কোনও তুলনা হয় না। আসলে সে সময় ছিল কেবল আনন্দের জন্য আনন্দ। নির্ভেজাল সময়। কোনও কিছুর জন্য চিন্তা বা দুশ্চিন্তা কিছুই ছিল না। একটানা সেই আনন্দে কোনও দুশ্চিন্তা ভাগ বসাত না। এই কাজটা হল না, ওই লেখাটা বাকি থেকে গেল এই ব্যাপারগুলো ছিল না।

Advertisement

আমার দুগ্গাপুজো: সিটি সেন্টারের ওখানেই প্রথম কাশফুল দেখা যেত ]

পুজো আসছে এ খবর যেন তখন হাওয়ায় হাওয়ায় রটে যেত। বাতাসে একটা চনমনে গন্ধ আমি অন্তত পেতাম। তখনও পুজোর মাস দুয়েক বাকি। আজ আর তা নেই। হয়তো দূষণের কারণেই সেই গন্ধটা হারিয়ে গিয়েছে। তখন আমাদের খুব বেশি জামা তো হত না। একেবারেই মধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলে আমি। এখনও তাই আছি। তবে ওই দু-একটা যে জামা হত, তা পাওয়ারই আনন্দ ছিল আলাদা। আর যদি কেউ পুজোসংখ্যা উপহার দিতেন, তবে তো কথাও নেই। সবাই যে সব সংখ্যা কিনতে পেরেছে তা নয়। কিন্তু ওই ভাগাভাগি করে পড়া হত, আর তার মজাই ছিল আলাদা। ছোটদের জন্য অনেক পুজোসংখ্যা বেরোত। হয়তো মামা একটা দিত, কাকা একটা দিত। আমি একটা পেলাম তো পাশের বাড়ির বন্ধু আর একটা পেল। অদলবদল করে তখন আমরা পুজোসংখ্যা পড়তাম।

[ আমার দুগ্গা: ভাবতাম পটুয়ারা দেরি করছেন বলেই পুজো আসছে না ]

আর ছোটবেলার পুজো বললেই এই পুজোসংখ্যার গন্ধ খুব মনে পড়ে। নিজের প্রিয় একটা নতুন উপন্যাস খুলে প্রাণ ভরে সেই নতুন পাতার গন্ধ নিতাম। সেই গন্ধ নেওয়ার সুখ এখনও আছে। কিন্তু এখন যেহেতু নিজে লিখি, নিজে লেখার চাপ আছে। সব মিলিয়ে পুজোটা এখন অনেক জটিল হয়েছে। তাছাড়া মামাবাড়িতে পুজো হত। ভাই-বোন সকলে মিলে দুদ্দাড় করে আনন্দ করে সময় কাটাতাম। তার কোনও বিকল্প নেই। এখন সকলেই বিচ্ছিন্ন। ছোটবেলার সেই পুজোর স্মৃতি তাই আজও মনের কোণে বয়ে বেড়াচ্ছি। তাই বোধহয় পুজোর আনন্দ আজও অমলিন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

দেখুন ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.