Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Basirhat

ভাড়াবাড়িতে ভাগ্নের সঙ্গে লিভ ইন! ‘খুন’ করে ট্রেন লাইনে ঝাঁপ মামির, জোড়া দেহ উদ্ধার বসিরহাটে

জানা গিয়েছে, মামি-ভাগ্নে হলেও বছরখানেক আগেই সম্পর্কে জড়ান তাঁরা। সেই কারণে কয়েক মাস আগে বাড়িও ছেড়েছিলেন দু'জনে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২১:৫৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২১:৫৯

options
link
ভাড়াবাড়িতে ভাগ্নের সঙ্গে লিভ ইন! ‘খুন’ করে ট্রেন লাইনে ঝাঁপ মামির, জোড়া দেহ উদ্ধার বসিরহাটে zoom
ভাড়াবাড়িতে লিভ-ইন করতেন মামি-ভাগ্নে!
Advertisement

ভাগ্নের প্রেমে হাবুডুবু! বাড়ি থেকে পালিয়ে ভাড়াবাড়িতে সংসারও পেতেছিলেন দু’জনে। তবে শেষ পরিণতি যা হল, তা আঁতকে ওঠার মতো। শনিবার সকালে ওই ভাড়াবাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় ভাগ্নের ঝুলন্ত দেহ। মামির দেহ উদ্ধার হল বাড়ির কাছেই রেললাইন থেকে। অভিযোগ, প্রেমিক ভাগ্নেকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন প্রেমিকা-মামি। উত্তর ২৪ পরগনার ঘটনায় চাঞ্চল্য।

জানা গিয়েছে, মামি-ভাগ্নে হলেও বছরখানেক আগেই সম্পর্কে জড়ান তাঁরা। আর সেই কথা জানাজানি হতেই শুরু হয় অশান্তি। সেই কারণে মাসখানেক আগে বাড়িও ছেড়েছিলেন দু’জনে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃত যুবকের নাম দেবাশিস মণ্ডল। বয়স আনুমানিক ৩২। আর মৃত যুবতী অর্থাৎ যুবকের মামি রুনু মণ্ডলের বয়স ৩৩। দু’জনেরই বাড়ি বসিরহাটের ট্যাটরা এলাকায়। প্রায় ১৪ বছর আগে রুনুর বিয়ে হয় বনগাঁয়। জানা গিয়েছে, মামি-ভাগ্নে হলেও বছরখানেক আগেই সম্পর্কে জড়ান তাঁরা। আর সেই কথা জানাজানি হতেই শুরু হয় অশান্তি। সেই কারণে মাসখানেক আগে বাড়িও ছেড়েছিলেন দু’জনে। তখন থেকেই বসিরহাটের সাঁইপালায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভ-ইন করতেন।

Advertisement

শুক্রবার রাতে একটি ফোন যায় দেবাশিসের বাবার কাছে। ফোনের ওপার থেকে রুনু মণ্ডল দেবাশিষের বাবাকে বলেন, “ওকে মেরে ফেলেছি, এবার আমিও আত্মহত্যা করব।”

দেবাশিসের পরিবারের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে অত্যন্ত অশান্তিতে ছিলেন ওই যুবক। এমনকী বাবাকে ফোন করে বাড়ি ফিরতেও চেয়েছিলেন। এরপরই শুক্রবার রাতে একটি ফোন যায় দেবাশিসের বাবার কাছে। ফোনের ওপার থেকে রুনু মণ্ডল দেবাশিষের বাবাকে বলেন, “ওকে মেরে ফেলেছি, এবার আমিও আত্মহত্যা করব।” এরপর এরপর থেকেই দু’জনের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপরই ছেলের খোঁজ করতে শুরু করে পরিবার।

শনিবার সকালে বসিরহাট স্টেশন সংলগ্ন অনন্তপুর এলাকার রেললাইন থেকে রুনু মণ্ডলের দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে, ময়লাখোলা সংলগ্ন ভাড়া বাড়ির দরজা ভেঙে দেবাশিস মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। যদিও রুনু মণ্ডলের পরিবারের তরফে থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে দেবাশিসের পরিবারের অভিযোগ, রুনুই দেবাশিসকে খুন করে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

বসিরহাটে দুটি অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে শোরগোল। কী কারণে এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনা, আদৌ এটি খুনের পর আত্মহত্যা, নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা জানতে মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ফরেন্সিক পরীক্ষার ফল হাতে এলেই মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলবে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.