Raja Ravi Varma

ভারতীয় শিল্পকলার জয়! ১৬৭ কোটিতে বিকোল রাজা রবি বর্মার ‘যশোধরা ও কৃষ্ণ’, কিনলেন কে?

এম এফ হুসেনের ছবি বিক্রির নজিরকেও ছাপিয়ে গেল এই ছবিটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ১৪:৪৮

options
link
ভারতীয় শিল্পকলার জয়! ১৬৭ কোটিতে বিকোল রাজা রবি বর্মার ‘যশোধরা ও কৃষ্ণ’, কিনলেন কে?
ছবিটি উনবিংশ শতকের শেষ দশকে আঁকা।

মনে করা হয়েছিল, ৮০ থেকে ১২০ কোটির মধ্যে বিক্রি হবে ছবিটি। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে বুধবার কিংবদন্তি শিল্পী রাজা রবি বর্মার আঁকা ‘যশোধরা ও কৃষ্ণ’ নিলামে বিক্রি হল ১৬৭.২ কোটি টাকায়! যা পেরিয়ে গেল এম এফ হুসেনের আঁকা ‘গ্রাম যাত্রা’ নামের ছবিটির রেকর্ড। সেই ছবি বিকিয়েছিল ১১৮ কোটি টাকায়। সেই রেকর্ডকে অনেক পিছনে ফেলে দিল এই ছবিটি।

Advertisement

গতকাল, বুধবার মুম্বইয়ের স্যাফ্রনআর্ট আয়োজিত স্প্রিং লাভ অকশনের আসর। সেই নিলামেই ওই বিপুল দাম উঠল রাজা রবি বর্মার (Raja Ravi Varma) ছবিটি। শেষপর্যন্ত যা কিনলেন সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও নামী শিল্পপতি সাইরাস পুনাওয়ালা। ছবিটি কিনতে পেরে আপ্লুত হন তিনি। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি জানিয়েছেন, ”এমন একটি ছবি কিনতে পারাটা একই সঙ্গে সম্মান ও কর্তব্যের। জাতীয় সম্পদ নির্দিষ্ট সময় অন্তর সাধারণের দৃষ্টিগোচর রাখাটা জরুরি। যা সম্পন্ন করা আমার কর্তব্য।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Raja Ravi Varma’s Yashodhara and Krishna sells for ₹167 crore at auction

Advertisement

কিংবদন্তি শিল্পী রাজা রবি বর্মার আঁকা ‘যশোধরা ও কৃষ্ণ’ নিলামে বিক্রি হল ১৬৭.২ কোটি টাকায়! যা পেরিয়ে গেল এম এফ হুসেনের আঁকা ‘গ্রাম যাত্রা’ নামের ছবিটির রেকর্ড। সেই ছবি বিকিয়েছিল ১১৮ কোটি টাকায়।

জানা গিয়েছে, আলোচ্য ছবিটি উনবিংশ শতকের শেষ দশকে আঁকা। সেই সময়টা ছিল রাজা রবি বর্মার কেরিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময়। ছবিটি কৃষ্ণের বাল্যলীলার বহুলচর্চিত এক দৃশ্য। মা যশোদা গরুর দুধ দোয়াচ্ছেন। ছোট্ট কৃষ্ণ সেই দুধ খেতে মায়ের কাছে উপস্থিত হয়েছেন হাতে পাত্র নিয়ে।

১৮৪৮ সালে ত্রিবাঙ্কুরের এক শিল্পপ্রেমী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রবি বর্মা। অল্প বয়স থেকেই তাঁর প্রতিভার স্ফূরণ ঘটে। দ্রুতই তিনি আধুনিক ভারতীয় শিল্পকলার এক অন্যতম পথিকৃত হয়ে ওঠেন। ইউরোপীয় ঘরানার রিয়েলিজমের সঙ্গে ভারতীয় পুরাণের চরিত্রগুলিকে মিলিয়ে দিয়ে তিনি এক নতুন ঘরানা তৈরি করেন। তৈলচিত্র এদেশে তিনিই জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। ১৮৯৪ থেকে তিনি লিথোগ্রাফিক প্রেস বসিয়ে ছবি ছেপে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে অচিরেই অসামান্য সব ছবি সাধারণের নাগালের মধ্যে পৌঁছে যায়। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে এক শতাব্দীর বেশি সময়। রাজা রবি বর্মা আজও ঘরে ঘরে পরিচিত এক নাম। এবার নতুন কীর্তি গড়ল তাঁর ছবি। তৈরি করল নয়া নজির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.