সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘রামায়ণ’-এর (Ramayana) জন্য মদ-মাংস ত্যাগ করে নিরামিষ ভোজে মন দিয়েছেন রণবীর কাপুর। নীতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় প্রথমার্ধের শুটিং শেষ। ‘রামের সুমতি’র কথা শুনে খবর চাউর হয়, ‘সীতা’র চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নাকি সাই পল্লবীও (Sai Pallavi) মাংসভক্ষণ ত্যাগ করেছেন। ব্যস, সেকথা কানে যেতেই বেজায় চটলেন দক্ষিণী সুন্দরী। আবার আইনি হুঁশিয়ারি দিতেও পিছপা হলেন না!
প্রসঙ্গত, নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘রামায়ণ’-এর হাত ধরেই বলিউডে পদার্পণ করতে চলেছেন সাই। রণবীরের সঙ্গে প্রথম অংসের শুটিং ইতিমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন। এবার দ্বিতীয়ার্ধের পালা। সেই আবহেই গুঞ্জন শোনা যায়, সীতার ভূমিকায় অভিনয় করার আগে নাকি পুরোপুরি নিরামিষাশীতে পরিণত হয়েছেন অভিনেত্রী। সাই পল্লবী সাধারণত কোনও সাতে-পাঁচে থাকেন না। বিতর্ক এবং লাইমলাইট দুই থেকেই দূরে থাকা তাঁর পছন্দের। তবে তাঁর মাংস ত্যাগ করার খবর রটায় এবার চুপ থাকলেন না। সোশাল মিডিয়ায় কড়া ভাষায় জবাব দিলেন।

নেটপাড়ায় হতাশা প্রকাশ করে সাই পল্লবী লিখেছেন, “বেশিরভাগ সময়েই ভুয়ো তথ্য বা মিথ্যে খবর নিয়ে আমি কোনওরকম গা করি না। চুপই থাকি। কোনও উদ্দেশ্য নিয়েই নাকি কোনও কারণ ছাড়াই এধরনের ভিত্তিহীন খবর রটিয়ে দেয়, ঈশ্বরই জানেন! তবে অনেক হয়েছে। আমি কিছু বলি না বলে আমার সঙ্গে বারবার এরকম ঘটনা ঘটে আসছে। বিশেষ করে আমার কোনও সিনেমা রিলিজ করার আগে বা ঘোষণার পর। আর নয়! পরের বার থেকে এরকম ভুয়ো খবর কেউ রটালে আইনি পদক্ষেপ করব।” সম্প্রতি এক তামিল সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে যে, ‘সাই পল্লবী নাকি ‘রামায়ণ’-এ সীতার ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য নিরামিষ খাওয়া শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, শুটিংয়ে গেলেও নিজের রাঁধুনি টিম সঙ্গে নিয়ে ঘোরেন।’ একথাতেই চটে যান সাই। আসলে অভিনেত্রী আগাগোড়াই নিরামিষ খান। প্রাণীহত্যার বিরুদ্ধে তিনি। নিজেই সেকথা এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন। আর সেইজন্যই সম্ভবত এমন খবর রটে যায়।
সর্বশেষ খবর
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস
-
জঙ্গলে লুকিয়ে ১০০০ বছরের প্রাচীন শহর, কেন হয়েছিল জনশূন্য? হতবাক গবেষকরা
-
পার্টনারের সঙ্গে কখনওই ঝগড়া হয় না বলে গর্ব করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে ৪ জটিল মনস্তত্ব
-
চিরকালের জন্য বাকিংহাম প্যালেস ছাড়লেন রাজা চার্লস! হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?
-
স্বাস্থ্যকর খাবার বানাতে সর্বক্ষণ এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার, ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে না তো?