Kolkata

‘শোলে’-র পঞ্চাশে জয়-বীরু অবতারে সিধু-পটা, প্রকাশিত হল বিশেষ স্মারক ক্যালেন্ডার

রমেশ সিপ্পির পরিচালনায় এবং সেলিম-জাভেদ জুটির কলমে মুক্তি পেয়েছিল ‘শোলে’। দেখতে দেখতে সেই কালজয়ী ছবির পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হল। এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতায় প্রকাশিত হল ‘শোলে পঞ্চাশ’ বিশেষ ক্যালেন্ডার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ২১:২০

options
link
‘শোলে’-র পঞ্চাশে জয়-বীরু অবতারে সিধু-পটা, প্রকাশিত হল বিশেষ স্মারক ক্যালেন্ডার
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল জয় এবং বীরু অবতারে বাংলা রক ব্যান্ড ‘ক্যাকটাস’-এর দুই স্তম্ভ— সিধু ও পটা।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১৯৭৫ সাল এক বিশেষ মাইলফলক। রমেশ সিপ্পির পরিচালনায় এবং সেলিম-জাভেদ জুটির কলমে মুক্তি পেয়েছিল ‘শোলে’। দেখতে দেখতে সেই কালজয়ী ছবির পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হল। এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতায় প্রকাশিত হল ‘শোলে পঞ্চাশ’ বিশেষ ক্যালেন্ডার। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল জয় এবং বীরু অবতারে বাংলা রক ব্যান্ড ‘ক্যাকটাস’-এর দুই স্তম্ভ— সিধু ও পটা।

Advertisement
সাইডকার লাগানো সেই আইকনিক বাইকে চেপে মঞ্চে প্রবেশ।

তিরিশ বছর পেরিয়ে আসা ক্যাকটাস ব্যান্ডের এই জনপ্রিয় জুটি এদিন যেন সত্তর দশকের পর্দার স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন। সাইডকার লাগানো সেই আইকনিক বাইকে চেপে মঞ্চে প্রবেশ করেন তাঁরা। কণ্ঠে ছিল কিশোর কুমার ও মান্না দে-র সেই অমর গান ‘ইয়ে দোস্তি হাম নহি তোড়েঙ্গে’। শোলের পঞ্চাশ বছরে নিজেদের জয়-বীরু হিসেবে দেখে আপ্লুত দুই শিল্পীই। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সিধু ও পটা জানান, শোলে নিয়ে তাঁদের উন্মাদনা আজও অমলিন। এমন একটি ব্যতিক্রমী ভাবনায় শামিল হতে পেরে তাঁরা গর্বিত।

Advertisement

দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পিআর এজেন্সির উদ্যোগে এবং সেরাম গ্রুপের নিবেদনে এই বর্ণাঢ্য ক্যালেন্ডারটি তৈরি হয়েছে। সেরাম গ্রুপের চেয়ারম্যান সঞ্জীব আচার্য বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি ও রুচিশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা আমাদের লক্ষ্য। শোলে আজও আপামর ভারতবাসীর আবেগের নাম। অনুষ্ঠানের ঘরোয়া আলোচনায় উঠে আসে ছবির নানা অজানা কাহিনি।

Advertisement
কলকাতায় প্রকাশিত হল ‘শোলে পঞ্চাশ’ বিশেষ ক্যালেন্ডার।

ক্যালেন্ডারটির মূল ভাবনা সুদীপ্ত চন্দের। প্রতি পাতায় রয়েছে চমক। সত্তর দশকের খবরের কাগজে প্রকাশিত ছবির বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে তৎকালীন প্রেক্ষাগৃহের উপচে পড়া ভিড়ের দৃশ্য— সবই ধরা পড়েছে এই ক্যালেন্ডারে। সংগ্রাহকদের জন্য বাড়তি পাওনা হিসেবে রয়েছে ছবির মেকিং মুহূর্তের ছবি, আদি রেকর্ড কভার, টিকিট, লবি কার্ড এবং দেশলাই বাক্সে ছাপানো শোলে-র পোস্টার।

একদা যে ছবি সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, সেই স্মৃতিকে এক নতুন আধারে বন্দি করল এই ক্যালেন্ডার। আধুনিক প্রজন্মের কাছে শোলে-র সেই সোনালি দিনগুলিকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রয়াস। চলচ্চিত্র প্রেমীদের মতে, সিধু-পটার উপস্থিতি এই উদযাপনে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। সব মিলিয়ে নস্টালজিয়া আর সমকালের এক অদ্ভুত সহাবস্থান দেখা গেল শহর কলকাতায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.