সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসুস্থ পরিচালক সুভাষ ঘাই। মুম্বইয়ের লীলাবতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। এমনই খবর জানা গিয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ৭৯ বছরের পরিচালকের শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা রয়েছে। তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল। আচ্ছন্ন ভাবও ছিল। সেই কারণেই সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যাওয়া মাত্র পরিচালককে আইসিউতে রাখা হয়।

হাসপাতালে প্রবীণ পরিচালকের খেয়াল রাখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি টিম। এই টিমের মধ্যে নিউরোলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট ও পালমোনোলজিস্ট রয়েছে বলেই খবর। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সুভাষ ঘাই। গত বুধবার থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার রাতে খবর প্রকাশ্যে আসে। শোনা গিয়েছে, এখন প্রবীণ পরিচালকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তবে আরও কিছুটা সময় চিকিৎসকরা দেখতে চান। হয়তো এক বা দুই দিনের মধ্যে পরিচালকে জেনারেল বেডে দেওয়া হতে পারে।
নাগপুরে জন্ম সুভাষ ঘাইয়ের। তাঁর বাবা ছিলেন দাঁতের ডাক্তার। হরিয়ানা থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পরই ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ পুণেতে ভর্তি হয়ে যান পরিচালক। সেখান থেকেও গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করে চলে আসেন মুম্বইয়ে। প্রথমে নাকি স্টুডিওতে ঢোকার অনুমতি পর্যন্ত পেতেন না পরিচালক। কিন্তু পরে ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে কাজ শুরু করেন।
১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় ‘কালীচরণ’। সেই সিনেমা থেকে সুভাষ ঘাইয়ের পরিচালনার সফর শুরু। তার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘কর্জ’, ‘বিধাতা’, ‘হিরো’, ‘মেরি জং’, ‘রাম লক্ষ্মণ’, ‘সওদাগর’, ‘খলনায়ক’ থেকে ‘ত্রিমূর্তি’, ‘পরদেশ’, ‘তাল’, ‘ইয়াদেঁ’র মতো সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। পরিচালক হিসেবে তাঁর শেষ সিনেমা ‘কাঁচি’। সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্য পায়নি। সুভাষ ঘাই যে সিনেমার ঐতিহ্য তার আগে উপহার দিয়েছেন তা আগামী প্রজন্মের সম্পদয় হয়ে থেকে যাবে।
সর্বশেষ খবর
-
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃত্যু হাজার ছুঁই ছুঁই! উদ্ধারকাজের গতি নিয়ে সরকারের উপরে রুষ্ট আমজনতা
-
বিশ্বকাপ যেন প্রহসন, উৎসব ভুলে স্টেডিয়ামে ছেলে-মেয়ের শব খুঁজছে মায়েদের ‘সার্চ পার্টি’
-
‘২ বছরে একটা করে বাংলা ছবি করতেই হবে’, বিধায়ক রূপাকে পরামর্শ অনুপম খেরের
-
প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা উত্তরে, বাড়বে নদীর জলস্তর, নামতে পারে ধস! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
-
এক ম্যাচের ফলে নকআউটে পাঁচ দেশ, মেসিদের সামনে ভোজিনহার কেপ ভার্দে, কেমন হবে সূচি?