সোনালি মজুমদার

স্বপ্নপূরণের গল্প, বাংলার কৃষক পরিবারের মেয়ে মার্কিন মুলুকের রিয়ালিটি শো’তে

বঙ্গতনয়ার পারফরম্যান্স দেখে হতবাক 'আমেরিকাজ গট ট্যালেন্ট'-এর বিচারকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১৮:৩৮

options
link
স্বপ্নপূরণের গল্প, বাংলার কৃষক পরিবারের মেয়ে মার্কিন মুলুকের রিয়ালিটি শো’তে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়িতে হয়তো নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। কৃষি পরিবার। আর সেই চরম দারিদ্র্যের মাঝে নৃত্যশিল্পী হয়ে ওঠা বোধহয় একপ্রকার দিবালোকে স্বপ্ন দেখার মতোই। কিন্তু এত কিছুর মাঝেও দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাগদা গ্রামের মেয়েটি নিজের প্যাশনকে ভুলে যায়নি। নাচই যে তার নেশা। আর বাংলার সেই মেয়েই মার্কিন মুলুকের খ্যাতনামা রিয়ালিটি শোয়ের মঞ্চ কাঁপালেন।

Advertisement

বয়স মাত্র ১৫। আর এই বয়সেই মার্কিন মুলুকে প্রতিনিধিত্ব করলেন ভারতের হয়ে। শুধু তাই নয়, দর্শক এবং বিচারকদের মুগ্ধ করেছেন নৃত্যের ভঙ্গিমাতেও। ‘আমেরিকাজ গট ট্যালেন্ট’, বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো, যেখানে অডিশন দিতে হলেও বেগ পেতে হয়। সেই মঞ্চেই মাতিয়ে এলেন বাগদার সোনালি মজুমদার। এখন অপেক্ষা শুধু সেরার শিরোপা জেতার। 

Advertisement

বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক পরিবারের এই মেয়ের পারফরম্যান্স দেখে হতবাক ‘আমেরিকাজ গট ট্যালেন্ট’-এর বিচারকরা। গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সালসার ভঙ্গিতে। শৈশব থেকেই নাচের প্রতি ঝোঁক সোনালির। বিশেষ করে সালসা নৃত্যশৈলী তার অতি প্রিয়। সোনালির সঙ্গে অবশ্য সেই মঞ্চে পারফর্ম করেছেন সুমন্ত মারজুও। এরা দুজনেই বিভাস ডান্স অ্যাকাডেমির (Bivash Dance Academy) সদস্য। তাঁদের এই সালসার ধরণও আলাদা। নাম ‘ব্যাড’ (BAD) সালসা, যা তারা শিখেছেন ওই অ্যাকাডেমিতেই। জুটির পারফর্ম্যান্স দেখার পর ‘আমেরিকাজ গট ট্যালেন্ট’-এর সিজন ১৫’র বিচারকরা পরের পর্বে যাওয়ার জন্য সবুজ সংকেত দিতে আর দেরি করেননি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ভাল শিল্পী হলেই ভাল মানুষ হওয়া যায় না!’, শ্রীলেখা-সৌকর্যের তরজায় সরগরম নেটদুনিয়া]

তার এই স্বপ্ন উড়ানে অবশ্য বাবা মা’কেও পাশে পেয়েছেন সোনালি। কোনও রকম কসরত রাখেনি তার মা-বাবা। তিন বছর বয়স থেকেই সোনালির জিমন্যাস্টিং শেখা শুরু হয়েছিল। ছোট থেকেই তার বাড়ির সদস্যরা খেয়াল করেছিল যে কোনওরকম গান-বাজনা হলেই তার তালে তালে নেচে উঠত সোনালির পা। বিশেষ করে গ্রামে কোনও অনুষ্ঠান হলেই সোনালির ডাক পড়ত। বাগদার গ্রামেই শুরু হয় সোনালির নাচের তালিম। সেই গ্রামের তার শিক্ষকই প্রথম কলকাতার বিভাস ডান্স অ্যাকাডেমির কথা বলে তার মা-বাবাকে। সেই ভাবনা তেকেই একরাশ স্বপ্ন নিয়ে কলকাতায় আসা সোনালির।

[আরও পড়ুন:‘আমাদের দেশে পশুদের সুরক্ষা বলে কিছু আছে?’ কেরলে হাতির হত্যা নিয়ে প্রশ্ন টলিউডের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.