দীপিকা সিং

করোনা আক্রান্ত মায়ের রিপোর্ট দিচ্ছে না হাসপাতাল, কেজরিওয়ালের দ্বারস্থ অভিনেত্রী দীপিকা সিং

হাসপাতালের তরফে কেন এই 'অসহযোগিতা'? ক্ষোভপ্রকাশ অভিনেত্রীর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২০, ১৪:৩৮

options
link
করোনা আক্রান্ত মায়ের রিপোর্ট দিচ্ছে না হাসপাতাল, কেজরিওয়ালের দ্বারস্থ অভিনেত্রী দীপিকা সিং

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘দিয়া অউর বাতি হাম’ খ্যাত অভিনেত্রী দীপিকা সিং পড়েছেন মহাবিপদে। অভিনেত্রীর মা করোনা আক্রান্ত। থাকেন দিল্লিতে। আর এই মুহূর্তে তিনি রয়েছেন মুম্বইতে। মায়ের শরীরে করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ার পর হাসপাতালে ভরতি করা হলেও, কিছুতেই সেখান থেকে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে না পরিবারের সদস্যদের হাতে। ফলে, যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে কিনা, সেটাও বুঝতে পারছেন না তাঁরা। শেষমেশ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দ্বারস্থ হয়েছেন দীপিকা সিং।

Advertisement

অভিনেত্রীর অভিযোগের তীর দিল্লির এক খ্যাতনামা হাসপাতালের দিকে। টুইটারে যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দিয়ে দীপিকা লেখেন, “আমার মা-বাবা দু’জনেই দিল্লির বাসিন্দা। তাঁরা পাহাড়গঞ্জ এলাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে থাকেন। সম্প্রতি, মায়ের করোনা ধরা পড়েছে। এদিকে কিছুতেই রিপোর্ট দিচ্ছে না লেডি হার্ডিং হাসপাতাল। কর্তৃপক্ষের তরফে শুধুমাত্র বাবাকে ফোনে ছবি তোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে মাত্র! এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে মায়ের চিকিৎসা করাব বুঝতে পারছি না। যথাযথ চিকিৎসা চলছে কিনা, সেটাও জানা যাচ্ছে না এর ফলে। তাই খুব বিপদে পড়ে আপনাদের কাছ থেকে সাহায্য চাইছি।”

Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন: শুরু হল ‘মহাপীঠ তারাপীঠ’ সিরিয়ালের শুটিং, স্ত্রী নবনীতাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিনেতা জিতু]

এর পাশাপাশি অভিনেত্রী এও জানিয়েছেন যে, তাঁর পরিবারে ৪৫ জন সদস্য রয়েছেন। তাই মায়ের করোনা ধরা পড়ার পর, এর থেকে সংক্রমণ ছড়ালো কিনা, সেই আশঙ্কাতেও সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। সমস্ত ঘটনা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেন দীপিকা। এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদির কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা যেন এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন।

[আরও পড়ুন: পরিচালক যখন ডাক্তার! কঠিন সময়ে সুন্দরবনে রোগী দেখছেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.