Utpalendu Chakrabarty

ধোঁকা দিচ্ছিল স্মৃতি, কুয়াশাচ্ছন্ন শেষের দিনগুলো কেমন কাটত উৎপলেন্দুর? জানালেন ছায়াসঙ্গী

চা খেতে খেতেই ঝিমিয়ে পড়েন পরিচালক। তার পর...

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৪, ২১:৩৫

options
link
ধোঁকা দিচ্ছিল স্মৃতি, কুয়াশাচ্ছন্ন শেষের দিনগুলো কেমন কাটত উৎপলেন্দুর? জানালেন ছায়াসঙ্গী

সুপর্ণা মজুমদার: মে মাসে হাসপাতাল থেকে ফিরেছিলেন রিজেন্ট পার্কের বাড়িতে। হাঁটাচলার শক্তি বিশেষ ছিল না। স্মৃতিগুলোও ছিল ধোঁয়াশার মতো। মনের কোনে লুকোচুরি খেলত। তার পর সব শেষ। শেষের দিনগুলো কেমন কেটেছে জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর? জানালেন তাঁর ছায়াসঙ্গী অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়।

Advertisement

Director Utpalendu Chakraborty admitted to hospital

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার সারাটা দিন ঠিক ছিলেন ৭৬ বছরের পরিচালক। সন্ধ্যার দিকে চা খাচ্ছিলেন। কয়েক চুমুক দেওয়ার পরই ঝিমিয়ে পড়েন পরিচালক। চিকিৎসক জানালেন, আর নেই তিনি। শেষের কটা দিন ডিমেনশিয়া একটু বেড়েছিল বলেই জানালেন অর্ঘ্য। হাঁটাচলার শক্তি হারিয়েছিলেন পরিচালক। কিন্তু স্মৃতি ফিরলে মাঝে মাঝেই যেন শুটিং ফ্লোরে ফিরে যেতেন। তাঁর মুখে শোনা যেত সিনেমার কথা। লাইট-অ্যাকশন-ক্যামেরার নানা কাহিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: RG Kar কাণ্ডে ‘নীরব’ অনির্বাণ, পাশে দাঁড়িয়ে দেবালয় বললেন, ‘তাঁর কাজ নয়…’]

জাতীয় পুরস্কার ছাড়াও উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর ঝুলিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক পুরস্কার, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার। কিন্তু তার পর আর গ্ল্যামার দুনিয়ার মূলস্রোতে সেভাবে পাওয়া যায়নি তাঁকে। যন্ত্রণা কম ছিল না। কিন্তু সেকথা উঠলেই সহকারী অর্ঘ্যকে পরিচালক বলতেন, “পেইন ছাড়া গেইন নয়। যন্ত্রণা যেখানে নেই, সিনেমা সেখানে নেই।” ‘শোলে’ আর ‘পথের পাঁচালী’র মধ্যে তুলনা উঠলে সত্যজিত রায়ের ছবির হয়েই সওয়াল করতেন। বলতেন, এই ছবিতে শুধু চরিত্ররাই নয় পশু-পাখি, পরিবেশ সবাই অভিনয় করেছে, “এপিক ইজ রিয়্যাল।”

পরিচালকের আরও এক পরিচয় রয়েছে। তিনি পরিচালক শতরূপা সান্যালের প্রাক্তন স্বামী এবং অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী ও চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তীর বাবা। যদিও উৎপলেন্দুর সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কোনও যোগাযোগ নেই। ঋতাভরীদের কথা উঠতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন অর্ঘ্য। আর ফোনে কথা বলতে পারলেন না। তার হাত থেকে ফোনটি নিয়ে নিলেন জ্যোতির্ময়। জানালেন, পরিচালকের ছেলেই তাঁর শেষকাজ করবেন। আর মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এসেছেন শ্রদ্ধা জানাতে। শেষ সময়ে একটাই ইচ্ছে ছিল উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর। ছবি আঁকতে চেয়েছিলেন তিনি। অর্ঘ্য কথা দিয়েছিলেন, প্রয়োজনীয় সামগ্রী এনে দেবেন। তা আর হল না।

[আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল ফ্যানকে কাঁধে তোলা মোহনবাগানির মাকে প্রণামের অঙ্গীকার দেবদূতের, চোখে জল শিলাদিত্যর]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.