বিগ বস ১৫- এর ঘর থেকেই বন্ধুত্ব। আর সেই বন্ধুত্ব থেকেই প্রেমের সূত্রপাত। দেখতে দেখতে সম্পর্কের বয়স চার বছর। তাঁরা আর কেউ নন, টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় জুটি করণ কুন্দ্রা ও তেজস্বী প্রকাশ। রিল টু রিয়েল, করণ-তেজস্বীর প্রেম সুপারহিট। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেও বিদেশে ছুটি কাটাতে চলে যান প্রেমিকযুগল। তাঁদের লাভিডাভি ছবিতে মুখরিত হয় নেটভুবন। করণ-তেজস্বীকে ঘিরে কখনও বাগদান তো কখনও আবার বিয়ের গুঞ্জন শোনা যায়। তবে নেটফ্লিক্সে নতুন রিয়্যালিটি অনুষ্ঠান ‘দেশি ব্লিং’মুক্তি পাওয়ার পর নিশ্চিত, আলোচিত এই জুটি ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছেন আংটি বদলের অনুষ্ঠান। এবার তাহলে প্রেম পরিণতি পাবে শুভ পরিণয়ে!
আরও পড়ুন:
এই শোয়ে ব্যক্তিগতজীবনের গোপন তথ্য ফাঁস করেন করণ। তেজস্বী প্রেমিকা কম ‘সন্তান’ বেশি। একটা বাচ্চার যেভাবে খেয়াল রাখতে হয় তেজস্বীকেও ঠিক সেভাবেই ট্রিট করতে হয় বলে দাবি করণের। বলা ভালো, করণ তেজস্বীর ‘অভিভাবক’-এর ভূমিকা পালন করেন! সংসার না পাতার নেপথ্যে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে জানান করণ।
করণ বলেন, “দু-তিন বছর আগে, আমার মা-বাবা বলেছিলেন, করণ তুমি সবসময় ওঁকে আগলে রাখছ, পরে কী হবে! এখন তো আমিও সেটা ভাবছি। ভবিষ্যতে সন্তান হলে আমার দায়িত্ব তো দ্বিগুণ হয়ে যাবে।”
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিশদে বলেন, “বৈবাহিক সম্পর্ক মানে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দুজনকেই দায়িত্ববান হতে হয়। কিন্তু, আমার মনে হয় তেজস্বীর আরও পরিণত হওয়া প্রয়োজন। যদি ও কখনও ভোরবেলা বিমানবন্দর থেকে ফেরে সেই দায়িত্বটাও আমার। ম্যানেজারের মতো আমাকেই ভাবতে হয় কাকে পাঠাব। আক্ষরিত অর্থে আমি বাচ্চা মানুষ করছি।”

তেজস্বীর শিশুসুলভ স্বভাব প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক অতীতে প্রশ্ন তুলেছিলেন করণের মা-বাবাও। শোয়ে এসে সেই বিষয়টিও খোলসা করে করণ বলেন, “দু-তিন বছর আগে, আমার মা-বাবা বলেছিলেন, করণ তুমি সবসময় ওঁকে আগলে রাখছ, পরে কী হবে! এখন তো আমিও সেটা ভাবছি। ভবিষ্যতে সন্তান হলে আমার দায়িত্ব তো দ্বিগুণ হয়ে যাবে।”
সম্প্রতি তারকা কাপল নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর পডকাস্টে এসেছিলেন করণ আর তেজস্বী। সেখানে গিয়ে একপ্রকার বোমা ফাটালেন করণ। প্রকাশ্যে বলে দিলেন, তেজস্বীর মা নিজের মেয়ের উপর একদম ভরসা করেন না। তাই হবু শাশুড়িমা করণকে পরামর্শ দিয়েছেন বিয়ের আগে যেন তেজস্বীর সঙ্গে একত্রবাস করেন। যাতে তাঁরা পরস্পরকে আরও ভালোভাবে চিনে নিতে পারেন।

হাসতে হসতে করণ বলেন, “ওঁর মা বলেছিলেন যে নিজের মেয়েকে একদম বিশ্বাস করেন না। তাই আমাকেই সময় নিয়ে ওকে বুঝতে হবে। তবে ওঁর বাবা আমাদের সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছন্দ ছিলেন।” সম্মতি জানিয়ে তেজস্বীর সংযোজন, “মা চাইতেন বিয়ের আগে আমরা যেন এতক্রবাস করি। অনেকে এর বিরুদ্ধে থাকলেও মা মনে করেন একসঙ্গে থেকে একে অপরকে বুঝে নেওয়া উচিত।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আগুনের গ্রাসে শিশুপ্রাণ! মহারাষ্ট্রে সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৩ সদ্যোজাত
-
‘মস্তানি’ দেখিয়ে ডুরান্ড জয়, তারপরই সৌরভের ফোন দেবব্রতকে, হাবাসকে আনার নেপথ্যে কি ‘দাদা’র বুদ্ধি?
-
১০ দিন পরেও বাদল অধিবেশনের সমাপ্তি হয়নি, আসন পুনর্বিন্যাস বিলে মোদি সরকারের নয়া কৌশল?
-
উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখার নেশা, বাংলায় সুযোগের অপেক্ষায় সৃজিত-কৌশিক ভক্ত অমৃতা
-
ভোররাতে ফের জতুগৃহ কলকাতা! যশোর রোডে কারখানায় পুড়ে ছাই ২২ গাড়ি