অল্পদিনের মধ্যে মুক্তি পেতে চলেছে কন্নড় সুপারস্টার যশ অভিনীত ‘টক্সিক’ (Yash Toxic)। তাঁর জনপ্রিয়তা অবশ্য ভারতের কোনও এক প্রান্তে সীমাবদ্ধ নয়। ‘কে জি এফ’ মুক্তির পরেই তাঁর ভক্তের সংখ্যা ছড়িয়েছে দেশবিদেশে। বছর পাঁচেক আগে আচমকাই আত্মহত্যা করে বসে তাঁর এক ভক্ত। সূত্র মতে, শেষ বার্তায় ব্যক্তি জানিয়ে যায় এক বিচিত্র ইচ্ছের কথা— তার শেষকৃত্যে যেন পদধূলি দেন যশ! কিন্তু শেষকৃত্যে গেলেন না যশ। এমন এক পাগল ভক্তের কাতর আর্তিতে সাড়া দিলেন না তার ‘ঈশ্বর’।
আরও পড়ুন:

এ ঘটনা নিয়ে সে সময় খানিক আলোড়ন হলেও চাপা পড়ে যায় কালের নিয়মে। তবে সম্প্রতি টক্সিক-আবহে তা আরও একবার নতুন করে উঠে এসেছে চর্চায়। বহু তারকাই বিভিন্ন সময় দাম্ভিক আচরণ করেন ফ্যানেদের সঙ্গে, প্রায়শই তা দেখা যায় ভাইরাল ফোটো-ভিডিওতে। কিন্তু যশের প্রতি এমন অভিযোগ কোনওকালেই নেই ভক্তদের। তাও কেন গেলেন না তিনি? কেন পূরণ করলেন না এই ব্যক্তির শেষ ইচ্ছা?
সূত্রের খবর জানায়, ২০২১ সালে মৃত যশ-ভক্ত রামকৃষ্ণ নামের ব্যক্তির বয়স সে সময় মাত্র পঁচিশ। বাসস্থান মান্ড্য জেলার কোড়িরোড্ডি গ্রাম। নিজ বাসস্থানেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। জীবনের নানা ব্যর্থতাকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে দায়ী করে। আর ব্যক্ত করে যায় আশ্চর্য এক ইচ্ছে। বেঁচে থাকতে যশের মতো মহাতারকার দর্শনলাভের সুযোগ হয়নি, তাই মৃত্যুর পর যেন যশ পা রাখেন তার বাড়িতে।
এছাড়াও কর্নাটকের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ারও ভক্ত সেই ব্যক্তি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও যেন পায়ের ধুলো দেন তার শেষকৃত্যে, এমন ইচ্ছের কথা জানা যায় তার বার্তাটি থেকে। রামকৃষ্ণের ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়ে সত্যি সত্যিই সিদ্দারামাইয়া উপস্থিত হন তার শেষকৃত্যে, কিন্তু গেলেন না যশ। এমন এক আয়োজন থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখলেন নিজেকে।

পরবর্তীকালে এক সাক্ষাৎকারে এমন আচরণের কারণ জানান যশ নিজেই। বলেন, শেষকৃত্যে উপস্থিত হলে তা অন্যান্য ভক্তদের কাছে ভুল বার্তা দিতে পারত। অনেকের মনে এমন ধারণা তৈরি হতে পারত যে, নিজের জীবন শেষ করে দিলেই প্রিয় তারকার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। যশ মনে করেছিলেন, এমন একটি ধারণাকে কোনওভাবেই উৎসাহ দেওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, ভক্তরা জীবনে ভালো কিছু অর্জন করার পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসুক। এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত কখনওই কাম্য নয়।
স্বাভাবিকভাবেই তারকার এমন মন্তব্য ভক্তদের মনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। তিনি যে সত্যিই পৃথিবীজোড়া ফ্যানেদের অপার ভালোবাসার যোগ্য, তাই আবারও প্রমাণ করে এই ঘটনা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের
-
বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড, আধার নম্বরেই মিলবে উপভোক্তার তথ্য
-
দেবরাজের ‘দাদাগিরি’র নয়া হদিশ! দাবিমতো কোটি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ মামলায় চার্জশিট