CM Mamata Banerjee

রেকর্ড ধান উৎপাদন রাজ্যে, কৃষকদের কুর্নিশ জানিয়ে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

২৫৬.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন ফসল ফলিয়ে দেশে সেরা বাংলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৫, ২০:৩৫

options
link
রেকর্ড ধান উৎপাদন রাজ্যে, কৃষকদের কুর্নিশ জানিয়ে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

নব্যেন্দু হাজরা: কৃষিক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন বাংলার। ২০২৪-২৫ সালে ২৫৬.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে রাজ্যে। যা এখনও পর্যন্ত যে-কোনও বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ফলে আবারও ধান উৎপাদনে দেশে শীর্ষস্থান ধরে রাখল বাংলা। এহেন সাফল্যে কৃষকদের কুর্নিশ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

শুধু ধানই নয়, রাজ্যের প্রধান ফসলগুলির উৎপাদনও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার মধ্যে ভুট্টার উৎপাদন আট গুণেরও বেশি হয়েছে। ডাল তিন গুণেরও বেশি উৎপাদন হয়েছে। এই রেকর্ডের পর উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আমাদের কৃষক, কৃষি শ্রমিক ও কৃষিক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত সকল ভাই ও বোনদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৪-২৫ সালে ২৫৬.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে বাংলায়। ২০২৪ সালের খরিফ মরশুমে মোট ১৮১.৩৫ লক্ষ মেট্রিক টন ধান ঘরে তোলা গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ সালের বোরো মরশুমে ৭৫.১৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে। যা মোট করলে দাঁড়ায় ২৫৬.৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ সালে রাজ্যে ২৫৩.৬৬ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছিল। যা এই বছর পর্যন্ত রেকর্ড ছিল। ২০২৪-২৫ সালের উৎপাদন পূর্ববর্তী রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

২০১১ সালে রাজ্যে পালা বদলের সময় ধান উৎপাদন ছিল ২০০.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২৫ সালে সেই উৎপাদন ৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও ২০২৪ সালে বিভিন্ন জেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’র প্রভাব ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সত্ত্বেও রেকর্ড ধান উৎপাদন হয়েছে। যা কৃষিকর্তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কৃষকদের সাহায্যে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। কৃষকদের সামাজিক সুরক্ষা প্রদান-সহ কৃষক বন্ধু, বাংলা শস্য বীমা, খাজনা মবুক থেকে সুলভ মূল্যে ধান সংগ্রহ একাধিক উদ্যোগ কৃষকদের সহয়তা করেছে বলে মনে করে ওয়াকিবহল মহল।

রাজ্যে শুধু ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে তা নয়। কৃষিবিভাগের তথ্য বলছে, রাজ্যে ভুট্টার উৎপাদন আট গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে (৩.৫ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে ২৯ লক্ষ মেট্রিক টন)। তৈলবীজ দুই গুণ বেশি উৎপাদন হয়েছে (৭ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে ১৪ লক্ষ মেট্রিক টন)। ডাল তিন গুণেরও বেশি (১.৪২ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে ৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন) এবং সুগন্ধি চালের উৎপাদন প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে (০.৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে ৩.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন)।

রাজ্যের এই সাফল্যের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট করে লেখেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গ কৃষি উৎপাদনে ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে।ঘূর্ণিঝড় ডানা এবং বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার মতো প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, আমাদের কৃষকদের অদম্য মনোবল, জেদে এই মাইলফলক অর্জন করা গিয়েছে। সঙ্গে রাজ্য সরকারের কৃষকবন্ধু, বাংলা শস্য বীমা, সুলভ মূল্যে ধান ক্রয়ের সাহায্য করেছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.