পাট চাষ ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন ভারতের

পাট উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম ভারত৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৭:২৫

options
link
পাট চাষ ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন ভারতের

শ্রীকান্ত পাত্র: পাট ও পাটজাত দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করে আমাদের দেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে। এছাড়া কর্মসংস্থানেরও একটি বড়সড় ক্ষেত্র পাট চাষ। এখনও আমাদের দেশে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পাট চাষ পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। পুরনো প্রথায় কৃষকরা পাট চাষ করেন। তা সত্ত্বেও পাট উৎপাদনে ভারতের স্থান পৃথিবীতে প্রথম।

Advertisement

[পূর্বাঞ্চলে বাদাম চাষের জন্য গবেষণাকেন্দ্র হবে মেদিনীপুর]

পাট চাষের সময়: পাট বীজ সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে বোনা হয়। পাটের রকম অনুযায়ী বীজ বোনার সময় হেরফের হতে পারে। যেমন, তেতো পাট বা খুটি চৈত্র-বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চাষ করা হয়। চৈত্র-জৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চাষ হয় মিঠা বা বগী পাট৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাটি: কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, দোআঁশ, বেলে-দোআঁশ, এঁটেল-দোআঁশ মাটি পাট চাষে উপযোগী। এঁটেল মাটিতেও ভাল পাট জন্মায়।

Advertisement

জমি তৈরি: আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি বারবার কর্ষণ ও পরে মই দিয়ে সমতল করে পাট চাষের জমি তৈরি করতে হয়। অনেকেই আলু তোলবার পর ওই জমিতে পাট বীজ বুনে থাকেন। সেক্ষেত্রে জমি প্রস্তুত খুব সহজেই হয়ে যায়। এই সময় জমিতে একর প্রতি ৫-৬ টন গোবর সার বা আবর্জনা সার মিশিয়ে দিতে পারলে খুবই ভাল হয়।

[এশিয়ায় সেরা গাঁজার চাষ হয় ভারতেই]

বীজ বপন: কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, পাট বীজ বোনার আগে জমি শোধন করে নিতে হয়৷ প্রতি কেজি বীজ তিন গ্রাম অ্যাগ্রোসান জি—এন পাঁচ শতাংশ ওষুধ দিয়ে শোধন করে নিতে হয়। বীজ হাতে ছিটিয়ে বা সারি দিয়ে বোনা যায়। সারি দিয়ে বুনলে দু’টি সারির দূরত্ব এক ফুটের মতো হতে হবে। তেতো পাটের ক্ষেত্রে একর প্রতি আড়াই থেকে তিন কেজি এবং মিঠা পাটের ক্ষেত্রে দেড় থেকে দু’কেজি বীজ লাগবে।

[ভেষজ ওষুধ তৈরি লক্ষ্যে ১০০ দিনের কাজে জুড়ল অ্যালোভেরার চাষ]

সার ও পরিচর্যা: পাটের ভাল ফলন পেতে হলে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ডঃ সুমিত রায়। মিঠা পাটে একর প্রতি আট কেজি ফসফেট, ৮ কেজি পটাশিয়াম এবং তেতো পাটের ক্ষেত্র ১০ কেজি ফসফরাস ও ১০ কেজি পটাশিয়াম মূল সার হিসাবে প্রয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাট সাধারণত বৃষ্টির জলে চাষ হয়। সময়মতো বৃষ্টি না হলে জলসেচ অবশ্যই দিতে হবে।

[জৈব সারে সতেজ শসা চাষে কৃষকদের উৎসাহ দিতে উদ্যোগ কৃষি দপ্তরের]

ফসল তোলা: পাট গাছে যখন ফুল থেকে ফল ধরে সাধারণত তখনই পাট কাটার উপযুক্ত সময়। পাট কেটে পাতা না ঝরা পর্যন্ত মাঠে বা কোনও জায়গায় গাদা করে রেখে দিতে হবে। তারপর আঁটি বেঁধে জলে পচাতে হয়। পচানোর ৮-১০দিন পর পাটকাঠি বের করে নিতে হবে। তারপর পাটের আঁশ পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে। ভালভাবে রোদে শুকিয়ে গাঁট বেঁধে বিক্রির জন্য বাজারে পাঠানো হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.