বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি। সন্ধ্যা থেকে ঝোড়ো হাওয়া। তার ফলে যাচ্ছেতাই অবস্থা ধানের। বিরাট ক্ষতির মুখে পাকা বাংলার বোরো ধানচাষিরা। তার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের। বৃহস্পতিবারও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে সবই ধানই নষ্ট হয়ে যাবে, এই আশঙ্কায় দু’চোখের পাতা এক করতে পারছেন না কৃষকরা।
আরও পড়ুন:
বাংলার হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে মূলত বোরো ধান চাষ হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, দাসপুর, কেশপুর, ডেবরাতে মূলত বোরো ধান চাষ হয়। এবার প্রায় ২ লক্ষ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। একে তো ভোটের কারণে জঙ্গলমহলের শ্রমিকরা কাজ করতে চাননি। তার ফলে ধান কেটে গোলায় তুলতে দেরি হয়েছে। আর তারই মাঝে বুধসন্ধ্যার ঝড়বৃষ্টি। সবমিলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ধানচাষ। নুইয়ে পড়েছে বিঘার পর বিঘা ধানগাছ। পূর্ব মেদিনীপুরের ছবিও বেশ উদ্বেগজনক। এখানে মোটে ৩০ শতাংশ ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৭০ শতাংশ ধান মাঠেই পড়ে রয়েছে। ঝড়বৃষ্টি সেই ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের। আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি-সহ বিভিন্ন এলাকায় ধানচাষে ক্ষতি হয়েছে।
তবে ঝাড়গ্রামের কৃষকদের কাছে বৃষ্টি যেন আশীর্বাদের মতো। প্রায় পনেরো দিন মাঠ থেকে ধান তোলার সময় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিনপুরে ১০ মিলিমিটার এবং ঝাড়গ্রামে ৬.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তেমন ঝোড়ো হাওয়া না দেওয়ায় ধানের ক্ষতি হয়নি। বরং মিটেছে জলের ঘাটতি। তার ফলে নিশ্চিন্ত কৃষকরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বন্ধুর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নৌকাবিহারে রাহুল গান্ধী! ‘এরা কারা রাহুলজি?’ খোঁচা গিরিরাজের
-
শুধু কঙ্গোয় ২০০০ জনের মৃত্যু! রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ ইবোলা, সতর্ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
-
বেনোজল-দুর্নীতি রুখতে নিচুস্তরে খোলনলচে বদল, ১২ জেলা সভাপতিকে সরাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি!
-
‘ইতিহাস ওঁকে সম্মানের সঙ্গে মনে রাখবে’, কয়লা কাণ্ডে ‘কলঙ্কমুক্ত’ মনমোহনকে নিয়ে আবেগী সোনিয়া
-
লক্ষ্য বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা, এবার সল্টলেক-নিউটাউন-রাজারহাটেও চলবে ট্রাম! শুরু সমীক্ষা