Tea

৩১ জুলাই ক্ষুদ্র চা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের, মিটবে সমস্যা?

রাজ্যে বছরে প্রায় ৪২০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়ে থাকে। তার মধ্যে ৭০ শতাংশ আসে প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগান থেকে। ৩১ জুলাইয়ের বৈঠকে বিষয়টি সবিস্তারে তুলে ধরতে চান ক্ষুদ্র চা চাষিরা।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৪:৫৬

options
link
৩১ জুলাই ক্ষুদ্র চা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের, মিটবে সমস্যা?
ক্ষুদ্র চা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের। ফাইল ছবি

উত্তরের ছোট চা-বাগানের উন্নয়নের নিয়ে আলোচনার জন্য ৩১ জুলাই ক্ষুদ্র চা চাষিদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্যের কৃষিদপ্তর। নবান্নে ওই বৈঠক হবে। এই প্রথম আলোচনার জন্য ক্ষুদ্র চা চাষিদের আমন্ত্রণ জানাল রাজ্য সরকার। ২৩ জুলাই মুখ্যসচিবের পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ৩১ জুলাই চা চাষিদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে থাকবেন কৃষিমন্ত্রী, শ্রম দপ্তরের সচিব, চা পর্ষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা।

Advertisement

কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “এই প্রথম রাজ্য সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসব। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কৃষকের মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন করছি। বৈঠকে সেই দাবির কথা তুলে ধরা হবে।”
সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা সেখানকার চা চাষিদের ‘ফার্মার্স রেজিস্ট্রি পোর্টাল’ ভুক্ত করেছেন। তিনি ওই সিদ্ধান্তকে ‘গেম চেঞ্জার’ বলেও অভিহিত করেছেন। বিজয়বাবু জানান, ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠিয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরের ছোট চা বাগানের মালিকরা ‘ফার্মার্স রেজিষ্ট্রেশন পোর্টাল’ ভুক্ত হলে কৃষকের পরিচয়পত্র মিলবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সুযোগ উত্তরের প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র চা চাষি পাবেন। এর ফলে উৎপাদন বাড়বে।

Advertisement

রাজ্যে বছরে প্রায় ৪২০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়ে থাকে। তার মধ্যে ৭০ শতাংশ আসে প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগান থেকে। ৩১ জুলাইয়ের বৈঠকে বিষয়টি সবিস্তারে তুলে ধরতে চান ক্ষুদ্র চা চাষিরা। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা
গিয়েছে, অসমের ছোট চা বাগানের মালিকরা এখন সরকারি ভাবে চাষির মর্যাদা অর্থাৎ ‘ফার্মার্স আইডি কার্ড’ পাবেন। এরফলে তারা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। এটা উত্তরবঙ্গে হলে একদিকে যেমন চায়ের গুণগত মান এবং উৎপাদন বাড়বে। তেমনই অন্যদিকে লোকসান কমবে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফোরাম অব স্মল টি গ্রোয়ার্স’-এর চেয়ারম্যান রজত কার্জি বলেন, “উত্তরবঙ্গের প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের রুজিরোজগার জড়িয়ে আছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অসমের মতো ক্ষুদ্র চা চাষিদের ‘ফার্মার্স রেজিস্ট্রি পোর্টাল’ ভূক্ত করলে এখানে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.