সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা যুদ্ধে জিততে গেলে মনের জোরই আসল কথা। করোনাজয়ীদের অনেকেই এ কথা বলেছেন বারবার। এবার সেই মনের জোরেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ১০৪ বছরের করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ। নাম আনন্দী ঝা। মহারাষ্ট্রের কল্যাণে দুর্গামন্দিরের কাছে বাড়ি তাঁর। বৃদ্ধের বাড়ি ফেরার পর তাঁকে দেখতে ভিড় জমায় গোটা পাড়া। সবার মুখে একটাই কথা, ‘দাদাজি বাড়ি ফিরেছেন!’
বৃদ্ধের পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন তাঁর ছেলে মুকেশও। ছেলের বয়স ৪৮ বছর। পেশায় তিনি একজন প্রোমোটার। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন চিকিৎসকরা। পরিবারের মধ্যে মুকেশের শরীরেই প্রথম করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। তিনি আক্রান্ত হওয়ার পর গোটা পরিবারের করোনা পরীক্ষা করা হয়। তখনই আনন্দীর ফল পজিটিভ আসে। ২৩ জুন তাঁকে বেদান্ত হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ১১ দিন করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তিনি। দিন দুই আগে করোনামুক্ত হন আনন্দী। তাঁর পরিবারের তিন শিশু এখনও অসুস্থ। তাঁদের এখনও চিকিৎসা চলছে। পরিবারের মধ্যে আনন্দীর স্ত্রী এবং তাঁর ভাগ্নের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
[ আরও পড়ুন: লকডাউনে কোম্পানির টাকায় ‘ফূর্তি’, শাস্তি হিসেবে কর্মীর যৌনাঙ্গে স্যানিটাইজার স্প্রে মালিকের ]
মুকেশ বলেন, ‘আমরা বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। তাঁর বয়স বেশি। স্বাভাবিকভাবেই খুব ভয় পেয়েছিলাম। তাই তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। আমাকে এবং আমার তিন সন্তানকে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছিল।’ চিকিৎসক মোহন ভানুশালী বলেন, আনন্দীর জ্বর ছিল প্রচণ্ড। তবে অক্সিজেন লেভেল এবং রক্তচাপ-সহ অন্যান্য সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। তাঁর যা অবস্থা হয়েছিল, সেখান থেকে এই বয়সে তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠা ছিল বেশ মুশকিল। কিন্তু আনন্দী মনের জোরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা সকলেই খুব খুশি।’
[ আরও পড়ুন: ‘করোনার শেষের শুরু’, ভ্যাকসিনের ট্রায়াল নিয়ে বড়সড় দাবি বিজ্ঞানমন্ত্রকের ]
সর্বশেষ খবর
-
৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড অপেক্ষাতেই পেনাল্টি মিস এমবাপের! তিতিবিরক্ত দেশঁ, ফুঁসে উঠলেন হালান্ডও
-
সারাদিন ফোনে মুখ গুঁজে বাড়ছে ডার্ক সার্কেল? দু’সপ্তাহেই ‘ভ্যানিশ’ হবে পাঁচ ঘরোয়া উপায়ে
-
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
-
নকল ডিগ্রি, জাল শংসাপত্র! শিক্ষায় ‘কঙ্কালসার’ বিহারে চাকরি যাচ্ছে ৩ হাজার শিক্ষকের
-
মায়েরা সব পারে… ফুসফুসের রোগে শয্যাশায়ী ছেলে, হাতে নোট লিখে জেইই পরীক্ষা পাশ করালেন মা!