Uttar Pradesh

পর্নোগ্রাফি দেখে ৯ মাসের শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ! ১২ বছরের ‘মদ্যপ’ মামার কীর্তিতে স্তম্ভিত পুলিশ

গ্রামবাসীরাই শিশুটিকে তার বাড়ি থেকে আধ কিলোমিটার দূরে টিনের চালাঘরের মধ্যে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৫:২৩

options
link
পর্নোগ্রাফি দেখে ৯ মাসের শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ! ১২ বছরের ‘মদ্যপ’ মামার কীর্তিতে স্তম্ভিত পুলিশ
প্রতীকী ছবি।

ভয়ংকর ঘটনা উত্তরপ্রদেশে। ৯ মাসের শিশুকে ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ১২ বছরের বালকের। মদ্যপানের পর পর্নোগ্রাফি দেখে মর্মান্তিক এই কাণ্ড ঘটায় ওই বালক। সম্পর্কে ওই বালক শিশুটির মামা। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের এই ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত পুলিশ প্রশাসনও।

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। ফোনে পর্নোগ্রাফি দেখার পর গভীররাতে ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে ৯ মাসের ভাগনিকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। সেখানেই ধর্ষণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে মাঠের মধ্যে এক টিনের চালাঘরের মধ্যে ফেলে আসে। পরদিন সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুর মায়ের বয়ান অনুযায়ী, রাতে মেয়েকে পাশে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন তিনি। রাত ২টোর দিকে ঘুম ভেঙে তিনি দেখেন পাশে মেয়ে নেই। এরপর সারারাত খুঁজলেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে গ্রামবাসীরাই শিশুটিকে বাড়ি থেকে আধ কিমি দূরে টিনের চালাঘরের মধ্যে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

Advertisement

গভীররাতে ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে ৯ মাসের ভাগনিকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায় অভিযুক্ত। সেখানেই ধর্ষণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে মাঠের মধ্যে এক টিনের চালাঘরের মধ্যে ফেলে আসে।

তড়িঘড়ি মেয়েটির চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এদিকে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তের সূত্র ধরে ১২ বছরের ওই বালককে সন্দেহ করে পুলিশ। জেরায় অভিযুক্ত স্বীকার করে মদ্যপান করার পর পর্নোগ্রাফি দেখেছিল সে। এরপর শিশুটিকে অপহরণ করে পাশের মাঠে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোরক্ষপুরের পুলিশ সুপার নিমেশ পাটিল জানান, বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.