Gujarat

পরিবারের কাছে সম্মানহানি হচ্ছিল, মায়ের প্রেমিককে খুন করে নাড়িভুড়ি নিয়ে খেলল ২ ছেলে!

এই ঘটনা গুজরাটের গান্ধীনগরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ২০:২৬

options
link
পরিবারের কাছে সম্মানহানি হচ্ছিল, মায়ের প্রেমিককে খুন করে নাড়িভুড়ি নিয়ে খেলল ২ ছেলে!
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্য লোকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন মা। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠতায় পরিবারের সদস্যদের কাছে মাথা নিচু হয়ে যাচ্ছিল। তাই মায়ের প্রেমিককে খুন করার অভিযোগ উঠল দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, খুন করার পর মৃতের শরীর থেকে নাড়িভুড়ি বের করে খেলা করেছে ওই দুজন! এই ঘটনা গুজরাটের গান্ধীনগরের।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম রতনজি ঠাকুর। অভিযুক্ত সঞ্জয় ও জয়েশ প্রথমে লোহার রড নিয়ে রতনজির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। অভিযোগ, তারপর তাঁকে পিটিয়ে মারে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। পেটে বারবার আঘাত করতে থাকলে নাড়িভুড়ি বেরিয়ে আসে। কিন্তু তখনও ওই দুজন থামেনি। ওই নাড়িভুড়িই শূন্যে ছুড়ে খেলা করার পর টুকরো টুকরো করে ফেলে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজন রাজমিস্ত্রির কাজ করে। তারা অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে মিলে একটি বাড়ি তৈরি করছিল। মৃত ব্যক্তিও রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাই নির্মীয়মাণ বাড়িতেই এই ভয়ংকর কাণ্ড ঘটায় তারা। এই ঘটনার সাক্ষী অন্যান্য রাজমিস্ত্রিরাও। তাঁরা অনেকভাবে রতনজিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেননি। বীভৎস দৃশ্য দেখে তাঁরা স্তম্ভিত হয়ে যান। বেশ কয়েক বছর ধরে অভিযুক্তদের মায়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রতনজির। যা মেনে নিতে পারেনি ওই দুজন।

Advertisement

এই ঘটনায় মৃতের ছেলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরেই অভিযুক্ত সঞ্জয় ও জয়েশ তাঁর বাবাকে হুমকি দিচ্ছিল। তাঁদের মায়ের থেকে দূরে থাকতে বলেছিল। রতনজিকে হত্যার পর দুজনেই সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্তরা জানিয়েছে, এই সম্পর্কের জেরে পরিবারের সকলের কাছে তাদের মাথা নিচু হয়ে যাচ্ছিল। এছাড়া তাদের মৃত বাবার প্রতিও অন্যায় হচ্ছিল। পুলিশ ওই দুজনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত করছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.