‘লাল সন্ত্রাস’ দমনে ফের সাফল্য। ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে আরও কোণঠাসা মাওবাদীরা। নিকেশ করা হয়েছে অন্তত ২ মাও নেতাকে। মাওবাদী শীর্ষ নেতা পাপা রাওয়ের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে পেয়ে উত্তর-পশ্চিম বিজাপুরের জঙ্গল ঘেরা এলাকায় অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। খবর ছিল, ওই এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে মাওবাদীদের একটি দল। সেই মতো এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি। পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় দু’পক্ষের গুলির লড়াই। তাতেই মৃত্যু হয় নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি)-র দুই সদস্য। একইসঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রসস্ত্র এবং বিস্ফোরক। তবে এই অভিযানে নিরাপত্তারক্ষীদের কেউ আহত হয়েছেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। সূত্রের খবর, মাওবাদী শীর্ষ নেতা পাপা রাও-সহ অন্যান্য মাওবাদীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
প্রসঙ্গত, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পর থেকেই মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এই নিয়ে চলতি বছর ছত্তিশগড়ে বহু মাও নেতা-কর্মী নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন, মাওবাদী সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু ওরফে গগন্না, পলিটব্যুরো সদস্য রামচন্দ্র রেড্ডি ওরফে চলপতি, তাঁর স্ত্রী রবি ভেঙ্কট লক্ষ্মী চৈতন্য ওরফে অরুণা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নরসিংহচলম ওরফে সুধাকর, পিএলজিএ-র শীর্ষ কমান্ডার মাধভী হিডমার মতো শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসের উপস্থিতিতে গড়ছিরৌলিতে আত্মসমর্পণ করেছেন নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির ভাই মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে সোনু। মাওবাদী সংগঠনে ‘তাত্ত্বিক মস্তিষ্ক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?